চুহাত্তর.
হঠাৎ করে সিলিং ফ্যান চলার শব্দ, ফ্যানের হু হু করা বাতাস এবং দরজায় জোর ধাক্কানোর শব্দে অনিকের ঘুম ভেঙে গেল। দরজার ওপাশ থেকে আম্মুর গলা, ‘কতবার নিষেধ করি দরজা ভেতর থেকে বন্ধ না করতে? তাও বন্ধ করিস? ভিতরে বসে কী করিস তুই? গাঁজা খাস? খোল, দরজা খোল। না হলে ভেঙে ফেলব কিন্তু!’
অনিক ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসল। কখন যে ইলেকট্রিসিটি এসেছে, মাথার উপর ফ্যান ঘুরছে, কখন যে সকাল হয়ে গেছে। জানালার মোটা পর্দা ছাপিয়ে পুবের আলো এসে রুমটাকে আলোকিত করে রেখেছে, সে বুঝতেই পারেনি? তাহলে কি সে এতক্ষণ ধরে স্বপ্ন দেখছিল? মানহা, সুমি সবাই কি তার স্বপ্নেই ছিল? তার নিজের হলোগ্রাফিক ছায়াটাও স্বপ্ন ছিল?
আম্মুর দরজার উপর দাবড়ানি বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয় গলায় এখন ভয়ার্ত একটা ভাব। সন্তান দরজা খুলে না দিলে মরে পড়ে আছে কিনা এই জাতীয় যে ভাব থাকে গলা, ‘কি হলো? দরজা খুলিস না কেন?’
অনিক একটু ধাতস্ত গলায় বলল, ‘খুলছি আম্মু। এক মিনিট!’
অনিক দরজা খুলেই জম্বির মতো দাঁড়িয়ে মানহা আর অনিকের কথোপথন, সুমির গলায় ফাঁসুড়ে দাঁড়িয়ে থাকে এসব নিয়ে ভাবছিল। আম্মু অনিককে প্রায় ধাক্কা মেরে পাশ কাটিয়ে হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে টেবিলের ওপর, বিছানাপত্তর সরিয়ে হাতড়াতে লাগল।
(চলবে)
চুহাত্তর.হঠাৎ করে সিলিং ফ্যান চলার শব্দ, ফ্যানের হু হু করা বাতাস এবং দরজায় জোর ধাক্কানোর শব্দে অনিকের ঘুম ভেঙে গেল। দরজার ওপাশ থেকে আম্মুর গলা,...
