পঁচাত্তর.
আম্মুর আচরণেই অনিকের ঘুম ঘুম ভাব ছুটে গেল। ব্যাপার কী? সেদিন রাতে সেই ছাদে ভূত দেখার মতো অবস্থার পর থেকেই যেন সবাই অস্বাভাবিক আচরণ করছে? বড় চাচী করছে, এখন আম্মুও করছে? সে কি নিজেও কম করছে? ‘আম্মু, ওভাবে কি খোঁজ?’
‘ড্রাগ!’
অনিক সাধারণত কোন কিছুতেই না করে না। আম্মুর এই আবদারেও না করল না। আম্মু হাসপাতালে একজন ডাক্তারের সাথে এপয়নমেন্ট করেছে। সেখানে যাবে। এবং তাকেও সাথে যেতে হবে। হলোগ্রাফিক ইমেজের ছবিটবি রাতের অন্ধকারে ভালো করে ফুটবে বলেই অনিকের এই দিনের বেলাটা আম্মুর সঙ্গ দেওয়া নিয়ে তেমন কোনো অসুবিধে নেই। শুধু একটা জিনিসেই সে ইতস্তত করতে লাগল। আম্মু বলেছেন, ডাক্তারের ওখান থেকে বেরিয়ে তার বন্ধুদের বাসায় যাবেন, তার জন্মদিনের জন্য দাওয়াত দিতে এবং এখানেই বেঁধেছে ঘাপলা। অনিক প্রথমে প্রবল বেগে মাথা নাড়িয়ে না জানিয়েছিল, তার কোনো বন্ধু নেই বলে। শেষমেষ আম্মুর প্রবল আগ্রহে এবং আম্মু বলেছে ক্লোজ ফ্রেন্ড হওয়ার দরকার নেই, মোটামুটি ক্লাস ফ্রেন্ডদের মধ্যে যার সাথে একটু ঘনিষ্ঠতা আছে তাকে বললেই হবে। তাই সে ছেলে হোক আর মেয়ে হোক। মেয়ে বলার সময় আম্মু একটু দুষ্টুমি করে হেসেছে। (চলবে)
পঁচাত্তর.আম্মুর আচরণেই অনিকের ঘুম ঘুম ভাব ছুটে গেল। ব্যাপার কী? সেদিন রাতে সেই ছাদে ভূত দেখার মতো অবস্থার পর থেকেই যেন সবাই অস্বাভাবিক আচরণ করছে?...
