আশি.
হয়তো আব্বুর সাথে আম্মুর সম্পর্কের কোনো ঝামেলা চলছে। অনিকের বারবার মনে হতে থাকে, এমন যেন না হয়! না হয়!
আম্মুর পরিচিত মানসিক ডাক্তারের কক্ষের সামনে নিয়ে এলেন আম্মু। বাইরে অপেক্ষমাণ রোগীদের বসার জন্য কয়েকটা কাঠের চেয়ার। মানসিক ডাক্তারের কক্ষের সামনেই ডাক্তারের অ্যাটেনডেন্স দুহাত জড়ো করে দাঁড়িয়ে আছে। আম্মুকে দেখে চিনে সালাম দিলো। আম্মু অ্যাটেডেন্সকে আম্মু আসার খবরটা দিতে বললেন। তা থেকেই অনিক বুঝতে পারল আম্মু মাঝে মধ্যে মনে হয় এই ডাক্তারের কাছে আসেন।
মিসেস জেরিন অনিককে বাইরে অপেক্ষা করতে বলে ডাক্তারের কক্ষে ঢুকলেন। আগেই ফোনে ডাক্তার জামাল আখন্দকে বলা ছিল, ছেলেকে সাথে নিয়ে আসবেন। কিন্তু অনিক যাতে বুঝতে না পারে যে তাকেই ডাক্তারের কাছে আনা হয়েছে, সেজন্য আগে নিজে ডাক্তারের সাথে একটু শলাপরামর্শ করে নেবেন।
ডাক্তার জামাল আখন্দ মিসেস জেরিনকে সামনের চেয়ারে বসতে বললেন। নিজে বিদেশী জার্নালে চোখ বুলাচ্ছিলেন। একটু হেসে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ওইটুকু ছেলের আবার আমাকে দেখানোর দরকার পড়ল কেন?’
‘ভাই, একটা ব্যাপারে একটু সন্দেহ হচ্ছে। সে কারণেই আপনার কাছে আসা। ফোনে বলতে পারিনি। ও শুনে ফেলতো।’
‘কি সন্দেহ?’ (চলবে)