সাতাশি.

মিসেস জেরিনও আর বসে থাকা শোভনীয় নয় ভেবে বাইরে বেরিয়ে এলেন।
অনিক আম্মুর পাশে হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘আম্মু, তুমি যে ডাক্তারের কাছে যাও, আমাকেও টেনে নাও কেন? আজ থেকে আমি আর তোমার সাথে তোমার কোনো ডাক্তারের কাছে যাব না।’
‘ঠিক আছে আব্বু, যেতে হবে না। এখন চল তোর বন্ধুদের খুঁজে খুঁজে বের করি।’
অনিক একটু বিরক্ত স্বরে বলল, খোঁজাখুঁজি করা লাগবে না। আমি কথা বলেছি। আসতে পারবে কিনা পরে বলবে বলেছে।
মিসেস জেরিন তবুও নাছোড়বান্দা। শেষমেশ কাছে পিঠে থাকা বন্ধু তানিমের কথাই বলল আম্মুকে। তামিম ঠিক ওর অতটা বন্ধু নয়, তবে ক্লাসফ্রেন্ড হিসাবে ওরা স্কুলে একসাথে একটু বেশিই সময় কাটায়। ওর পাশের ডেস্ক চেয়ারে বসে এবং দুজনে টুকটাক খুনসুটিও করে, তবে বুজম ফ্রেন্ড যেটা বলে সেরকম নয়।
তানিমের বাড়িতে থাকা মা ওদেরকে আসতে দেখে এত অবাক হলো যে আপ্যায়ন করতেই যেন ভুলে গেল। যদিও বাসায় আসার আগে অনিক ঠিকই আসার কথা বলেছিল। কিন্তু সাথে যে আম্মু আসছে এটা বলতে ভুলে গিয়েছিল। মিষ্টিও নিয়ে ছিল পাশের মিষ্টান্ন ভাণ্ডার থেকে। তানিমের মা বেশ মিশুকে মহিলা। (চলবে)