বিরানব্বই.
মা বেরিয়ে যেতেই তামিম বলল, ‘যে জিনিসের জন্য রাত কাটাচ্ছি সেটার তো টিকিটাও দেখাচ্ছিস না!
‘এই তো! ছোট্ট খেলনার মতো কোনো জিনিস নয়। অনেকগুলো অংশ আছে। একটু ওয়েট করো, আম্মু শুয়ে পড়লেই বের করছি।’ অনিক কথা বলেই রুম থেকে বেরিয়ে গেল। মা যেন বারবার রুমে এসে হানা না দেয় এটাই মাকে বলতে হবে। আর গেস্টরুমটাও দেখে আসা হবে।
নিজের রুমে ফিরে এসে অনিক অবাক হয়ে দেখল, সেতু আর তামিম মিলে ওর খাটের নিচ থেকে প্রায় সবকিছুই টেনে বের করেছে। নাটক সিনেমা আর হরর শোয়ের কল্যাণে ওইজা বোর্ড নামক জিনিসটাকে ওরা দু’জনেই চেনে। এবং সেটাই সেতুর হাতে ধরা। সে একটু বিদ্রƒপাত্মক স্বরে বলল, ‘দেশে যখন ফোরজি নেটওয়ার্ক ছাড়িয়ে ফাইভ নেটওয়ার্কে ঢুকছে, তুই তখন নেটওয়ার্ক দিয়ে ভূত নামাচ্ছিস!’
অনিক আমতা আমতা করে কিছু বলার আগেই তামিম বলল, ‘প্লানচেট করে ভূত নামানো যায় ভূতের গল্পে পড়েছি। ওইজা বোর্ডে নাকি আরো সহজে হয়। দেখবি নাকি আজ রাতে ট্রাই করে!’
‘ঢাকা শহরের এই আলো ঝলমলে পরিবেশে ভূত আসবে কোত্থেকে?’
তামিম বলল, ‘আলো অফ করে দিয়ে রুম অন্ধকার করে দিলেই আসে। অন্ধকারে ভূত আসে।’
(চলবে)
বিরানব্বই.মা বেরিয়ে যেতেই তামিম বলল, ‘যে জিনিসের জন্য রাত কাটাচ্ছি সেটার তো টিকিটাও দেখাচ্ছিস না!‘এই তো! ছোট্ট খেলনার মতো কোনো জিনিস নয়। অনেকগুলো অংশ আছে।...
