পঁচানব্বই.
কিন্তু ঝাপসা অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেখা গেল না। এমনকি প্রজেক্টটরের প্রক্ষেপণ থেকে যে সাধারণ আলোটা আসে তেমন কিছুই নেই। অধৈর্য হয়ে তামিম বলে উঠল, ‘কি রে সারারাত লেগে যাবে নাকি? নাকি যন্ত্র ঠিকঠাকমতো কাজ করছে না। আরেকবার চেক করে দেখবি?’
অনিক অন্ধকারের মধ্যে দুদিকে মাথা নাড়ল। তারপর যখন বুঝতে পারল কেউ তার মাথা নাড়া দেখেনি, তখন মুখে বলল, ‘না, সব ঠিক আছে। হলোগ্রাফিক ইমেজ আসতে সময় নেয়। সাধারণ একটা ছবিকে যন্ত্রের মধ্যে থ্রিডি করে সেটাকে আবার মানুষের মতো আকৃতি দেয়। চাট্টিখানি কথা...’
সেতু অনিকের হাতে চিমটি কেটে চুপ করিয়ে দিলো। কারণ ঘরের অন্ধকারের মধ্যে হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো কিছু একটার আবির্ভাব হয়েছে। এক ধরনের রুপালি নীলচে আলো। সেই আলোর রেখাগুলো ধীরে ধীরে যেন একটা অবয়বের রূপ নিচ্ছে। অনিকের ঘটনাটা আগেই দেখা। তারপরও বন্ধুদের সাথে দম আটকে রোমাঞ্চকর দৃশ্যটা উপভোগ করতে লাগল।
তামিম উত্তেজিতভাবে অথচ এতটাই ফিসফিস করে কথা বলল যে প্রায় শুনতেই পাওয়া যায় না। যেন জোরে কথা বললে হলোগ্রাফিক ছবিটা বিলীন হয়ে যাবে। ‘আরে দেখ দেখ, হুবুহু আমার মতোই দেখাচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন আমিই দাঁড়িয়ে আছি। (চলবে)
