ছিয়ানব্বই.

ঠিক যেন আমার অশরীরী শরীর।’
তামিমের অবয়ব দেখেই সেতুর আর দেরী সহ্য হচ্ছিল না। সে উসখুস করতে করতে বলল, ‘তোর ছবি দিয়েছে তোকে তো দেখাবে সালমান খানকে তো দেখাবে না।’ তারপর অনিকের দিকে ফিরে বলল, ‘এবার আমার ছবিটা দে।’
তামিম ফিসফিস করে বলল, ‘সেতুর ছবি ঢোকালে কি হলোগ্রাফিক আমি কি চলে যাবো?’
‘হ্যাঁ। তাই তো যাওয়ার কথা। কেন যেতে চাস না?’
‘না মানে, ভালোই তো লাগছিল।’ তামিম আমতা আমতা করে বলল।
অনিক রুমের আলো না জ্বেলেই সেতুর মোবাইল থেকে ল্যাপটপে নেয়া ছবিটা প্রজেক্টরে দিয়ে দিলো। তখনো তামিমের হলোগ্রাফিক ইমেজ রুমের মধ্যে ভাসছিল। অনিক প্রজেক্টরের কাজে ব্যস্ত, তার চোখ সেদিকেই। হঠাৎ সেতুর কথা শুনে হলোগ্রাফিক অবয়বের দিকে তাকাল। ‘অ্যাই অনিক, তুই তোর ছবি দিলি কেন? এখন না আমার ছবি দেওয়ার কথা!’
অনিক তাকিয়ে দেখে অবাক হলো। তামিমের হলোগ্রাফিক ইমেজটা আর নেই। সেই জায়গায় প্রথম দিনে দেওয়া তার সেই হলোগ্রাফিক ইমেজটা দাঁড়িয়ে আছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার, হলোগ্রাফিক ইমেজটাকে ঠিক স্থির নয়, কিছুটা সচল লাগছে। অনিককে বেশ বিভ্রান্ত দেখাল। (চলবে)