একশত দুই.
বড় চাচীদের হাউজমেইড ছাদে গলায় ফাঁস দিয়ে সুইসাইড করেছিল। সেই মেয়েটার ভূতটাই আসে!’
সেতু আর তামিম একে অন্যের দিকে তাকাল। দুজনের মুখেই স্পষ্ট ভয়ের ছাপ। যেন এই বাড়িতে আর এক মুহূর্তও তাদের থাকার ইচ্ছে নেই। এই মাঝ রাতেও যদি নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা থাকতো তাহলে তারা চলে যেত।
অনিকও বুঝতে পারল, আগের মতো আর স্বাচ্ছন্দ্যে ওরা হাসিঠাট্টায় মেতে উঠতে পারবে না। ভূতের গল্প পড়া বা ভূতের ছবি দেখা এক জিনিস, আর সরাসরি ভূত দেখা অন্য জিনিস। বাস্তবের ভূতকে হজম করা সহজ কথা নয়। অনিক মৃদুস্বরে বলল, ‘তোমরা কি গেস্ট রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়বে?’
তামিম বলল, ‘এত তাড়াতাড়ি? এখন শুলে মোটেই ঘুম আসবে না। এতো তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ার অভ্যাস নেই। ওর চেয়ে তোর ল্যাপিতে কোনো একটা মুভি দেখা যাক। এবং অবশ্যই কোনো ভূতের মুভি নয়। এক রাতে এত বেশি ভূত নিতে পারব না।
সেতু বলল, ‘কোনো ফানি মুভি ডাউনলোড করা থাকলে দে। হাউজফুল টাইপের কিছু।’
ফানি মুভি দেখার সময় ওরা দুজনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হাসতে লাগল। অনিক বুঝতে পারল এই হাসি মুভির ফানি দৃশ্যের চেয়ে ভূতের ভয় তাড়ানোর হাসিই বেশি। (চলবে)
