একশত ছয়.
তবে নতুন জায়গায় বেড়ানো হতো আর কি! তবে মেইন সমস্যা তুই একা একা বাসায় থাকতে পারবি কিনা!’
‘কি যে বলো না আম্মু! আমাকে কি কচিখোকা মনে করো নাকি!’
‘না তো, তুই তো আমার বুড়ো খোকা। আর শোন, আমাদের ফিরতে ফিরতে কিন্তু রাত হতে পারে। রাতের খাওয়াও খেয়ে আসতে পারি। তুই বাসায় থাকলে তো আবার তোর জন্য আলাদা করে রান্না করে রেখে যেতে হবে।’
‘কিচ্ছু রান্না করা লাগবে না আম্মু। আমি ফ্রিজে যা আছে তাই দিয়ে চালিয়ে নেব। পাউরুটি জেলি তো আছেই। ডিম টিম ভেজে নেব।’
‘পারবি?
‘পারব না কেন? আমাকে তুমি কি মনে করো?’ অনিক খুশির সাথে নিজের রুমে ঢুকে গেল।
আম্মু মেকআপের ফাঁকে ফাঁকে ছেলের জন্য বাসায় খাবার দাবার কি রেখে যায় সেটাই দেখতে উঠে গেলেন।
পাত্রী দেখা গাড়িগুলো বেরিয়ে বাড়ি ফাঁকা হতে হতে প্রায় দুপুর হয়ে গেল। পুরো বাড়ি সুনসান হয়ে যেতেই এই ভর দুপুরবেলাও অনিকের কেমন যেন ভয় ভয় করতে লাগল। ছাদের উপর গলায় ফাঁস দেওয়া সুমির ভূত তো আছেই। তার সাথে নতুন যোগ হয়েছে হলোগ্রাফিক ভূতগুলো। ওগুলো যখন তখন এ ঘরে ও ঘরে ঘুরে বেড়ায়। অনিক বেশ কয়েকবার দেখেছে।
(চলবে)