একশত সাত.

কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার আম্মুসহ অন্য কেউ কখনো দেখেনি।
ভয়ের ভাবটা কাটাতেই সে ফেসবুক খুলতেই দেখল ম্যাসেঞ্জারে মানহা নোটিফিকেশন পাঠিয়েছে। মানহা অনলাইনে আছে দেখে ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট করতে শুরু করল। এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই জানাল, কাজিনের জন্য মেয়ে দেখতে বাড়ির সবাই বেরিয়ে গেছে। একা বাড়িতে তার ভয় লাগছে। ভূতের ভয়!
মানহাই বুদ্ধি দিলো, একা বাড়িতে ভূতের ভয়ে জবুথুবু হয়ে বসে না থেকে বাইরে বের হও, কোথাও ঘুরে টুরে আস।
অনিক জানাল, ‘কোথায় আর ঘুরে আসব। আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
‘তাহলে আমার এখানেই চলে আস। দুজনে মিলে কফি খেতে খেতে আড্ডা দেওয়া যাবে।’
অনিক অবাক হলো। মানহার সাথে এতদিন কথা হলেও, একই শহরে থাকলেও তাকে কখনো আমন্ত্রণ জানায়নি। আজ হঠাৎ দেখা করতে যেতে বলছে! অনিকেরও ইচ্ছে হলো যেতে। ‘তোমার অসুবিধে হবে না তো!’
‘নাহ, আব্বু আম্মু অফিসে। আমি বাসায় হাউজ মেইডের সাথে। আশপাশের একটা কফিশপে দেখা করা যায়। আমি তো প্রায়ই বাসা থেকে বের হই। তোমার মতো ঘরকুনো না।’
(চলবে)