একশত তেরো.
‘কোনো ছবি কি কোথাও নেই? একটা মেয়ের বয়স তের চৌদ্দ বছর হয়ে যাবে আর তার কোনো ছবি তোলা থাকবে না তা কখনো হয় নাকি!’ মানহা অবিশ^াসের সাথে বলল, ‘ভালো করে খোঁজ নিয়ে দেখ তোমাদের পারিবারিক অ্যালবামটামে কোনো ছবি আছে কিনা, না হলে তোমার বড় চাচার ছবির সাথে ছবিটবি তো তোলা থাকতে পারে?
‘তখনকার সময়ে তো আর হাতে হাতে এত ডিজিটাল মোবাইল ক্যামেরা ছিল না, যখন তখন যার তার ছবি উঠতো না, আর আমিও অনেক ছোট ছিলাম, আমাদের এসব ব্যাপারে কিছু জানতে দেওয়া হয়নি।’
‘বুঝতে পেরেছি। তারপরও আমার মনে হয়, বাড়িতে গিয়ে তোমার নিজেদের বাসায়, না হলে বড় চাচার বাসায় একটু খোঁজ নিয়ে দেখো। আমার তো ধারণা বাইরের একটা মেয়ে কাজ করতে এসেছে, ছবি টবি তোলা থাকতে পারে। আমার আম্মু তো বাসায় কোনো ঠিকে বুয়া এলেই আগে ছবি তুলে নাম ঠিকানা ভোটার আইডি কার্ড নিয়ে রাখে।’
‘ঠিক আছে, আজকে বাড়ি গিয়েই ছবি খুঁজব। পেলে হলোগ্রাফিক প্রজেক্টরে দিয়ে ওর হলোগ্রাফিক ইমেজের সাথে কথা বলার চেষ্টা করব।’
‘হলোগ্রাফিক ইমেজে আমাকেও রেখো।’ মানহা সিরিয়াসলি বলল।
‘আর যদি কোনো ছবি না পাই!’ (চলবে)
