(গত দিনের পর)
এরপর আঁকে ময়ূরের ঠোঁট, ময়ূরের গলা, পেট, পা, পাখা। তার পরে আঁকে ময়ূরের লেজ। লেজ আঁকার সময় ছবিটি বলে, ‘দেখো, দেখো। সূর্য্যরে সাতটি রঙের মিশ্রণ যেন ঠিক মতো সাজানো হয়। রঙের ধারাবাহিকতা মনে আছে তো? বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।’
পিন্টি বলে, ‘হ্যাঁ, মনে আছে আমার। এই দেখ রঙধনুর সাতটি রঙের আভায় এঁকে দিচ্ছি তোমার লেজ।’
এভাবে পুরোটা বিকেলজুড়ে পিন্টি আর তার আঁকা ছবিটি কথা বলতে বলতে ময়ূরের একটি পরিপূর্ণ ছবি আঁকা হয়ে যায়। পরিশেষে পিন্টি এদিক ওদিন মাথাটাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখে। আঁকা হয়ে যাওয়া ছবিটি সে খুঁটে খুঁটে দেখে। মনে মনে বলে, ‘নাহ, একেবারে খারাপ হয়নি ছবিটি। আমার ক্লাসমেটদের চেয়ে বরং ভালোই হয়েছে।’
ছবির সাথে কথা বলা, আবার সেই ছবিকেই রঙতুলিতে সুন্দর করে তোলা- এমন কাজে বেশ মজা পায় পিন্টি। (চলবে)