তোমরা নিশ্চয়ই অ্যান্টার্কটিকার নাম শুনে থাকবে। এর অপর নাম কী? কুমেরু বা দক্ষিণ মেরু। দক্ষিণ মেরু সত্যিকার অর্থে একটি স্থলভাগ বা ডাঙা। এটি এক হাজার থেকে দুই হাজার ফুট বরফের তলায় ঢাকা। উত্তর মেরুর বরফের নিচে কিন্তু স্থলভাগ নেই, শুধুই পানি। আর দক্ষিণ মেরু অঞ্চল ডাঙা বা স্থলভাগ। আর এ ডাঙা পুরু বরফে ঢাকা। দক্ষিণ মেরুর তটরেখার দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার। এর ছয় হাজার ৪১৩ কিলোমিটার বরফমুক্ত।
দক্ষিণ মেরু চিরশীতের রাজ্য হলে কী হবে, এখানে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে বড় বড় পর্বত। আছে কিছু জীবন্ত অগ্নিগিরি। এগুলোর মধ্যে এরেবাস ও টেররের কথা বলা যায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এগুলোর ভেতরে অগ্নিকুণ্ড আর ওপর বা বাইরের দিক তুষার-বরফে ঢাকা। দক্ষিণ মেরুর আয়তন ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার সম্মিলিত আয়তনের সমান। আসলে এটি একটি মহাদেশ। ধারণা করা হয়, সুদূর অতীতে এখানে রোদ উঠত। আর এখানে ছিল সবুজ অরণ্য। এর প্রমাণ, এখানকার মাটির নিচের প্রচুর কয়লা। অরণ্য বা বন দীর্ঘকাল মাটিচাপা পড়ে কয়লায় রূপান্তরিত হয়। দক্ষিণ মেরুতে বেশ কিছু অভিযান হয়েছে এবং হচ্ছে, দিনের পর দিন গবেষণা চলছে।