দশ.
কিন্তু না। আমাকে লাফ দিতে হলো না। এ পঙ্খিরাজ সবকিছুই চেনে। যেন তার পিঠে চড়া মানুষটার মন পড়তে পারে। অচেনা আমাদের বাড়িটিও চিনতে ভুল করেনি পঙ্খিরাজ।
নেমে এলো পঙ্খিরাজ শিমূল গাছটির গোড়ায়। তারপর -- -- --, আর কিছুই মনে নেই আমার। সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমার হাতের অনামিকার দিকে তাকাই। নেই, অনামিকায় সেই অঙ্গুরীটি নেই। মনটা খারাপ হয়ে গেল। এত সুন্দর অঙ্গুরী! আকাশে ওড়ার সময় কোথাও ফেলে এসেছি কি!!
মায়ের কণ্ঠ কানে এলো। তিনি বলছেন, ‘কিরে খোকা, ঘুম ভাঙল? নে, হাত মুখ ধুয়ে নে। খেতে আয়। রাতে তো না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিলি। এত ডাকলাম তোকে।’
(শেষ)
