আজকের পত্রিকা

স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে প্রধান দলগুলোর সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু

  • অঙ্গসংগঠনগুলোর কমিটি পুনর্গঠনে মনোযোগী বিএনপি
  • জামায়াত-এনসিপি সব পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করলেও এখনো চুপ সরকারি দল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও অভ্যন্তরীণ কৌশল দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থানীয় নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্র নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক শক্তি যাচাই, সংগঠন পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় নির্বাচনের ভিত্তি তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেও বিবেচিত হয়। তাই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো গুরুত্বের সাথে স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কৌশল ঠিক করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের প্রধান দলগুলো নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি মূল্যায়নের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, স্থানীয় নেতৃত্বের অবস্থান এবং ভোটারদের মনোভাব পর্যবেক্ষণ করছে। একই সাথে দলীয় কোন্দল নিয়ন্ত্রণ, নতুন নেতৃত্ব তৈরি এবং তৃণমূল সংগঠনকে সক্রিয় করার উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে।

বিএনপির সাংগঠনিক সক্রিয়তা

দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় পর্যায়ের আন্দোলন ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মনোযোগী থাকার পর বিএনপি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পরপরই তৃণমূল সংগঠন পুনর্গঠনের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। দলটির বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একাধিক স্থানে কমিটি পুনর্গঠন, সদস্য সংগ্রহ এবং সাংগঠনিক সফর অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুর্নগঠনের দিকও মনোযোগ দিয়েছে দলটি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপি তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও জাতীয় নির্বাচনে যে জনসমর্থন পেয়েছে তা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। সরকার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে পাহারায় রাখে। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর পুলিশ পালিয়ে গেলে তিনি বাড়ি ফেরেন। পরবর্তীতে ভারতসহ দেশ-বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে তার একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয়।

জবানবন্দীতে তিনি আরো উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে ডেইলি স্টারের একটি ভিডিও প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন ঘটনার দিন বিজিবির লে. কর্নেল রেদোয়ান, মেজর রাফাত, পুলিশের এডিসি রাশেদুল এবং রামপুরা থানার ওসি মশিউরের নেতৃত্বেই ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছিল।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রামপুরার এই আলোচিত মামলায় অভিযুক্ত চার আসামির মধ্যে গ্রেফতারকৃত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো: রাফাত বিন আলম মুন ঘটনার সময় প্রেষণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) কর্মরত ছিলেন। মামলার বাকি দুই আসামি সুনির্দিষ্টভাবে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো: রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মশিউর রহমান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

এই সম্পর্কিত আরও

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাত মিনিটে এক মাইল দৌড়াতে হবে

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিআরইউ গেমসের পুরস্কার বিতরণ

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পিএসজির প্রথম জয়

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিলি-বর্ষার লক্ষ্য মূল জাতীয় দল

সোম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইউএস ওপেনের নতুন চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ