বিপিএল ফাইনাল জেতার মধ্য দিয়ে ভালো আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন লেগি রিশাদ হোসেন। এবারের ফাইনালের অভিজ্ঞতা জাতীয় দলে কাজে লাগাতে চান তিনি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছিলেন, আপনার কাছে আরো বেশি আশা করেন। সেই আশাটা কি? রিশাদ জানালেন, আমি একা হাতে যেন ম্যাচ জেতাতে পারি। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং; তিন বিভাগে যেন ভালো খেলি।’
স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদকে নিয়ে রিশাদের বক্তব্য, ‘তার সাথে নিয়মিত কথা হয়। তার কাছ থেকে যতটা পারা যায়, নেয়ার চেষ্টা করছি। বড় দলের বিপক্ষে, বড় ইভেন্টে কিভাবে ভালো খেলা যায়, সেগুলো নিয়ে কথা বলছি। তার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল, কিভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতেন, সেগুলো শুনছি। বেশির ভাগ মনস্তাত্ত্বিক দিক নিয়ে কথা বলি। টেকনিক্যালি যা আছে, সেগুলো নিয়ে চলতে পারব। এখান থেকে মেন্টালি সাপোর্ট নিয়ে এগোনোর চেষ্টা করছি।’
বোলিংয়ের বৈচিত্র্য নিয়ে রিশাদ জানান, ‘কিছু ভেরিয়েশন নিয়ে কাজ করছি। ধাপে ধাপে উন্নতি করে, নিখুঁত করা গেলে সফল হতে পারব। ভেরিয়েশন শেখা খুব সহজ। সেগুলোকে নিখুঁতভাবে কাজে লাগাতে পারা চ্যালেঞ্জিং। এক-দু’বার সফল হলেই আত্মবিশ্বাস পাবো।’
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শুরুতেই ভারতকে নিয়ে রিশাদের মন্তব্য, ‘ইনশাআল্লাহ ভারতের বিপক্ষেই জিতব। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে প্রতিটি ম্যাচ সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে হবে। আসলে কোনো কৌশল কাজে দেবে না নিজেরা ভালো করতে না পারলে। আমরা ভালো করতে চাই। নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেলতে পারলে জিতব। সুযোগ পেলে সর্বোচ্চটা দিয়ে ভালো খেলার চেষ্টা করব। নার্ভ শক্ত রেখে খেলব।’
আত্মবিশ্বাসী জাকের
টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে নিজেকে মেলে ধরেছেন জাকের আলী অনিক। টেস্ট ও টি-২০ সিরিজে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ফিরেছেন। যা এবার কাজে লাগাতে চান আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দারুণ অভিজ্ঞতা আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে তার।
২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপে চার ম্যাচে মাত্র ৩৫ রান করেছিলেন জাকের। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে চার ইনিংসে করেছেন ১৭৬ রান, যেখানে একটি ৯১ রানের ইনিংসও রয়েছে। টি-২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে মাত্র ৩৮ বলে ৭২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন, ফলে হোয়াইটওয়াশ হয় ক্যারিবীয়রা।
ক্রিকবাজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জাকের বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমার আগের কোনো ভালো স্মৃতি ছিল না। টি-২০ বিশ্বকাপে ভালো করতে না পারায় হতাশ ছিলাম। তবে জানতাম, বছর শেষে সেখানে আবার সফর আছে। তাই নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছি এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই খেলেছি।’
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রসঙ্গে বলেন, প্রথমে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচটিই আমাদের। তবে যদি এই ম্যাচে ভালো করতে পারি, তাহলে পুরো টুর্নামেন্ট আমাদের অনুকূলে আসবে।’
নতুন হেড কোচ ফিল সিমন্সের প্রশংসা করতেও ভোলেননি জাকের। তার মতে, ‘তিনি খুব নিরিবিলি মানুষ। মাঠে আমাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেন, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
টাইগারদের নকআউটে দেখছেন না ডি ভিলিয়ার্স
যাওয়ার আগে হেড কোচ ফিল সিমন্স ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত উভয়েই বলে গেলেন আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য বাংলাদেশের। তবে আট দলের এই টুর্নামেন্টে টাইগারদের নিয়ে আশাবাদী হতে পারছেন না প্রোটিয়া কিংবদন্তি এ বি ডি ভিলিয়ার্স। তারমতে, বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নকআউট পর্বেও যেতে পারবে না! নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘এবিডিভিলিয়ার্স৩৬০’-এ ভিলিয়ার্স চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলগুলোর শক্তি-দুর্বলতা পর্যালোচনা করে একটি ভিডিও দিয়েছেন। সেখানে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি সত্যি করে যদি বলি তাহলে বাংলাদেশকে নকআউটে দেখছি না। বাংলাদেশী ভক্তরা হয়তো শুনতে পছন্দ করবে না। কিন্তু আমাকে সততার সাথে বলতে হবে।’
নকআউট পর্বে না দেখলেও বাংলাদেশকে নিয়ে কিছু আশার কথা শুনিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। তার মতে, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ কিছু অঘটন ঘটাতে পারে। তার ধারণা এই পর্বে নাজমুল হোসেন শান্তর দল যে কাউকে হারিয়ে চমক দিতে পারে। কিন্তু সেমিফাইনালে যাওয়া দলটির জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ হবে।’
বাংলাদেশের কিছু ক্রিকেটারকে নিয়ে আলাদা করেও কথা বলেছেন ডি ভিলিয়ার্স। দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদুল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে তার মন্তব্য, ‘দলে তাসকিন আছে, ভালো ডান হাতি পেসার। মিরাজও ভালো অলরাউন্ডার। মাহমুদুল্লাহর খেলা দেখেও ভালো লাগে।’
এর আগে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের চেয়ে আফগানিস্তান ভালো করবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে।’
ভারতকে হারাতে প্রস্তুত রিশাদও
বিপিএল ফাইনাল জেতার মধ্য দিয়ে ভালো আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন লেগি রিশাদ হোসেন। এবারের ফাইনালের অভিজ্ঞতা জাতীয় দলে কাজে লাগাতে চান তিনি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছিলেন,...





