টানা দুই জয়ে সম্ভাবনা ধরে রেখেছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে সেই সম্ভাবনা এখন আর নেই, সব সমীকরণ শেষ। প্রথম দল হিসেবে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে গেল খালেদ মাহমুদ সুজনের দল।
শুক্রবার মিরপুরে নোয়াখালীকে ৫ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। আগে ব্যাট করে শরিফুল ইসলামের তোপে পড়ে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। যা ১৮ বল বাকি থাকতেই জিতে যায় চট্টগ্রাম।
আট ম্যাচে চট্টগ্রামের এটি ষষ্ঠ জয়। আগেই প্লে অফ নিশ্চিত করায় এখন তারা আছে কোয়ালিফায়ারের দৌড়ে। অন্যদিকে বিপরীতে ৯ ম্যাচের মধ্যে সপ্তম পরাজয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী।
চট্টগ্রামের জয়ের নায়ক শরিফুল। চমৎকার বোলিংয়ে ৩.৫ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৯ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৫ উইকেট। ১৫২ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটিই তার প্রথম ৫ উইকেট।
রান তাড়ায় শুরুটা একদমই ভালো ছিল না চট্টগ্রামের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান মাহমুদুল হাসান (০)। পাওয়ার প্লের মাঝেই একই পথ ধরেন মোহাম্মদ হারিস (৭), মাহফিজুল ইসলাম (০) ও নাঈম শেখ (১৮)।
মাত্র ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে চট্টগ্রাম। হাসান নাওয়াজের সাথে ৪০ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন শেখ মেহেদি। পরে হাসান ফেরেন ১১ রান নিয়ে, দলকে ৬৯ রানে রেখে।
এরপর আসিফ আলিকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান চট্টগ্রাম অধিনায়ক। ৩৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদি। আসিফের ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ৩৫ রান।
আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল নোয়াখালীর। পাওয়ার প্লেতে বেশ রান আসছিল। তবে দুই ওপেনারের কেউ ইনিংস বড় করতে পারেননি, দুজনেই ফেরেন পাওয়ার প্লেতে।
সৌম্য সরকার ৮ বলে ১৪ রানে আউট হলে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। এরপর হাসান ইসাখিলকে ২০ বলে ২৫ রানে ফিরিয়ে উইকেট উদযাপন শুরু করেন শরিফুল। এরপর উইকেট নেন আরো ৪টি।
৩ উইকেট নেন শেখ মেহেদী। নোয়াখালীর ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনিই। হায়দার আলী (১২) ও হাবিবুর রহমান সোহানকে (১১) ফেরান মেহেদী। আর ইনিংসের লেঁজটা কাটেন শরিফুল।
নোয়াখালীর হয়ে বলার মতো রান পেয়েছেন আর কেবল জাকের আলী (২২ বলে ২৩) ও সাব্বির হোসেন (১৯ বলে ২২)। ২ উইকেটে ৭৮ থেকে শেষ ৪৮ রানে ৮ উইকেট হারায় নোয়াখালী।









