চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েই দেশ ছেড়েছিলেন জাকের-তাসকিনরা। উড়াল দেয়ার আগে বলেছিলেন, শিরোপা জেতাই লক্ষ্য তাদের। তবে লক্ষ্য আটকা পড়েছে শুরুতেই, বড় ধাক্কা খেয়েছে দল।
হংকংয়ের সাথে ‘দেখেশুনে’ জয় আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় পরাজয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন যেন অনেকটাই মিইয়ে দিয়েছে। এমনকি শেষ চারে ওঠা নিয়েও আছে শঙ্কা। তবে এখনি হাল ছাড়তে চান না জাকের আলি।
শনিবার রাতে এশিয়া কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বড় হারের মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। আবুধাবিতে তাদের দেয়া ১৪০ রানের লক্ষ্য লঙ্কানরা পেরিয়ে গেছে ৩২ বল আর ৬ উইকেট হাতে রেখেই।
এমন হারের পর রানরেটে চাপ বেড়েছে বাংলাদেশের। শেষ চারে উঠতে এখন কঠিন মারপ্যাঁচে টাইগাররা। যেখানে কিছু কাজ আছে নিজের, আবার কিছুটা নির্ভর করতে হবে ভাগ্যের ওপর।
অর্থাৎ শেষ ম্যাচে কেবল আফগানিস্তানের সাথে বড় ব্যবধানে জিতলেই হবে না, করতে হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও আফগানদের হারের জন্য প্রার্থনা। আছে আরো জটিল সমীকরণও।
তবে এমতাবস্থাতেও সাহসী জাকের আলী। এখনো দিচ্ছেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ঘোষণা। শনিবার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসেও শোনালেন সেই লক্ষ্যের কথা।
তিনি বলেন, ‘আশা ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আমরা ম্যাচ জেতার জন্য খেলব। এই ম্যাচেও আমরা জেতার মানসিকতা নিয়ে এসেছিলাম, হয়নি। পরের ম্যাচেও জেতার মানসিকতা নিয়েই যাব। এ ছাড়া তো আর উপায় নেই।’
এরপর তিনি টুর্নামেন্টে নিজেদের সম্ভাবনা নিয়ে বলেছেন, ‘আমরা তো টুর্নামেন্টে শুধু ম্যাচ খেলতে আসিনি, আমরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এসেছি। এক ম্যাচ হেরে আশা বাদ দেয়া যাবে না।’
আবুধাবিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভারে কোন রান না তুলেই হারিয়ে ফেলে দুই উইকেট, যা চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। এমতাবস্থায় ব্যাটারদের আরো সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাকের।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি যে ওপেনিং আর তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন আমাদের দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টা আমাদের মাথায় আছে। খেলোয়াড়দের অবশ্যই এসব বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।
‘পাওয়ার প্লেতে খেলা মানে এই নয় যে প্রতিটি বলেই চার বা ছক্কা মারতে হবে। ছোট ছোট রান নেয়ার বিষয়গুলোও মাথায় রাখতে হবে। আমি নিশ্চিত, ওরা এসব বিষয় নিয়ে ভাববে ও পরের ম্যাচে ভালো কিছু করবে।’









