গত মওসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন বা বিজেএমসির। এবার তাদের বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নর্শিপ লিগে খেলার কথা থাকলেও খেলবে না। আর্থিক দূরবস্থাকেই সামনে আনা হয়েছে। এই একই কারনে বিপিএল খেলা দলটির স্থানীয় ৩০ ফুটবলারের টাকা বাকী পড়ে যায়। যদিও বিদেশীদের টাকা আগেই দিয়ে দেয়া হয় ঝামেলা এড়ানোর জন্য। অথচ স্থানীয় খেলোয়াড়রা এই টাকা পেতে বারবার বিজেএমসি অফিসে ধর্ণা দিয়েও পাচ্ছিলেন না টাকা।

উল্টো মাঝে মধ্যে তীর্যক কথাও শুনতে হতো। তবে আশার খবর বকেয়া এই টাকা পেতে শুরু করেছেন ফুটবলাররা। ঈদুল আযহার আগে ৯ ফুটবলার তাদের বকেয়া টাকা পেয়েছে ক্লাব থেকে। বাকী ২১ ফুটবলার সোমবারের মধ্যে চুক্তির বাকী টাকা পাবেন বলে বিজেএমসি সূত্রে জানা গেছে। এই তথ্যের সতত্যা স্বীকার করলেন বিজেএমসির স্পোর্টস অফিসার আবদুল কুদ্দুসও। জানান, হাঁ ৯ ফুটবলার টাকা পেয়েছে। বাকীরা টাকা পাবে অতিদ্রুত।

অবশ্য এই বকেয়া পেতে ফুটবলাদের লিখিত আবেদন করতে হয়েছিল বলে জানান স্ট্রাইকার মেহেদী হাসান তপু। তার মতে, আমরা যে ৯ ফুটবলার টাকা পেয়েছি তাদের সবাইকে কারন উল্লেখ করে টাকা তুলতে হয়েছে। যেমন, আমি ঋণগ্রস্থ এই কথা উল্লেখ করেছি। শরীফুল তার মায়ের ক্যান্সারের চিকিৎসার কথা বলে টাকা নিয়েছে। এভাবেই শাহানুর রহমান রনি, সুমন, পলাশ, আলমগীররা টাকা পেয়েছেন। অপেক্ষায় আছেন মোবারকসহ অন্যরা।

এদিকে অস্থায়ী চাকুরী হারানো ক্রীড়াবিদরাও টাকা পেতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে খুবই মানবেতর অবস্থা এই খেলোয়াড়দের। পেটের দায়ে এদের কেউ মাটি কাটার কাজ করছেন। কেউবা অন্যের জমিতে কামলা হিসেবে কাজ করেন। কেউবা কাঠমিস্ত্রীর পেশায়।