ফুটবলারদের ছেলেরা ফুটবলার হয় না। বরং মুটিয়ে যাওয়া শরীর নিয়েই তাদের সাক্ষাৎ মেলে। কিন্তু সেখানে ব্যতিক্রম সাদাত হামিদ। বাংলাদেশের তারকা ডিফেন্ডার কায়সার হামিদের ছেলে তিনি। এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নিবন্ধিত ফুটবলার তিনি। তাকে রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব । বাবার মতোই দীর্ঘদেহী। তবে খেলেন মিডফিল্ড পজিশনে। বুধবার বাফুফের টার্ফে বাবার খেলা দেখতে মা লোপাকে নিয়ে আসা সাদাত হামিদের। উঠতি এই ফুটবলারের ভবিষ্যত নিয়ে দারুন আশাবাদী কায়সার।
কায়সারদের বাড়ী ডিওএইচএস এ। বাড়ীর সাথে থাকা মাঠই মূলত: সাদাতকে ফুটবলার বানিয়েছে। এই তথ্য দেন কায়সার এবং তার স্ত্রী লোপা। সাদাত উল্লেখ করলেন তা। লোপার মতে, ‘সাদাততো ফুটবল ছাড়া থাকতেই পারে না। মাঠে যে দলই ফুটবল খেলুক, ছেলে-বুড়ো তাদের সাথে নেমে পড়বে আমার ছেলে।’ কায়সার বলেন, ‘আমার আরেক ছেলেও ফুটবল পাগল। কিন্তু এখন সে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে থাকায় ফুটবল খেলা আর হচ্ছে না। কিন্তু সাদাত ধরে রেখেছে ফুটবল। আমি খেলেছি মোহামেডানে। এখন আমার ছেলেও এই ক্লাবে আছে। সেখানে আলফাজ-নকীবরা তাকে গাইড করছে। আছে বিদেশী কোচও। সাদাতকে নিয়ে বাড়তি প্রত্যাশাটা এ কারনেই।’ এই ডিফেন্ডারের মতে, ‘সাদাত বয়স ভিত্তিক আসর না খেললেও সমস্যা হবে না। কারণ তার রক্তে ফুটবল। সে মিডফিল্ডে খেললেও কোচ তাকে ডিফেন্সে খেলাতে চান।’
স্কুল এবং কলেজ পর্যায়ে ফুটবল খেলেছেন সাদাত। সেখানে বেশ কয়েকবার সেরা খেলোয়াড়দের পুরস্কার জিতেছেন। ‘খ্যাপও খেলতে ঢাকার বাইরে যাই আমি।’ জানান সাদাত। এরপর দেশের বড় আসরে খেলার পরিকল্পনা। কায়সার তনয়ের দেয়া তথ্য, আমি এবার তিন ক্লাবে ট্রায়াল দিয়েছি। ঢাকা আবাহনী, শেখ জামাল এবং বসুন্ধরা কিংসে ট্রায়ালের পরে মোহামেডানে ট্রায়াল দেই। মোহামেডানের অস্ট্রেলিয়ান কোচ শেন লেন আমাকে দেখে পছন্দ করে। এরপর ক্লাব আমাকে রেজিস্ট্রেশন করায়।
এখানেই থেকে থাকতে চান না সাদাত। জানান, এখন আমার লক্ষ্য মোহামেডানের প্রথম একাদশে জায়গা করে নেয়া।





