ফেডারেশন কাপে জয় পেয়েছে জয় পেলো সাইফ স্পোর্টিং ও আরামবাগ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। বুধবার সাইফ স্পোর্টিং ৩-০ গোলে উত্তর বারিধারাকে ও আরামবাগ আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ২-০ গোলে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে পরাজিত করে।
এবারের লিগে ১৩ দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬ দলের ডাগ আউটে বিদেশী কোচ। মুক্তিযোদ্ধা এবং ব্রাদার্স এখন বিদেশী কোচদের মাঠে আনতে পারেনি। এই ছয় কোচের মধ্যে সবচেয়ে হাই প্রোফাইলের সাইফ স্পোর্টিংয়ের বেলজিয়াম কোচ পল পুট। দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া কোলকাতা মোহামেডানে চলে যাওয়ার পর বলতে গেলে তারকা শুন্য সাইফ। তার অনুপস্থিতি, দলে চার নতুন বিদেশী ফুটবলার এবং নতুন বিদেশী কোচ। এদের নিয়ে প্রথম ম্যাচে কেমন করে সাইফ তা ছিল দেখার। অবশ্য শেষ পর্যন্ত বড় জয়ই পেয়েছে পূর্ন পেশাদারী ক্লাবটি। ফেডারেশন কাপের ‘ডি’ গ্রুপে তাদের ৩-০ গোলে জয় উত্তর বারিধারা বিপক্ষে। এই সাফল্য দিয়ে দারুন অভিষেক দলটির কোচের।
অবশ্য স্কোর লাইন বলবে না প্রথমার্ধে কতোটা কস্ট হয়েছিল সাইফ স্পোর্টিংয়ের। এএফসি কাপের লাইসেন্স পাওয়া দলটি মূলত: ম্যাচে নিয়ন্ত্রন নেয় ৪৯ মিনিটে আত্মঘাতী গোল পাওয়ার পর। এর আগ পর্যন্ত রক্ষনাত্মক ভঙ্গীতে খেলা উত্তর বারিধারার প্রাচীর সূদৃঢ়ই ছিল। কিন্তু নিজেরা নিজেদের জালে বল পাঠানোর পর সেই যে খেই হারিয়ে ফেলা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
৪৯ মিনিটে সাইফের উজবেক মিডফিল্ডার সিরাজুদ্দিন রখমাতুল্লায়েভের ক্রস বারিধারার মিশরীয় ডিফেন্ডার আবদেল রহিমের পায়ে লেগে দিক পাল্টিয়ে জালে যায়। ৬৩ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আগুয়ার গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে বল জালে পাঠান নাইজেরিয়ান কেনেথ ইগিচুকু। ৭০ মিনিটে ফাহিম মোর্শেদ নিশ্চিত করেন দলের জয়।
এদিকে দুই দিনের অনুশীলন দিয়ে কিছুক্ষণ দৌড়াদৌড়ি করা যায়। দুই একটা ভালো শট নেয়া যায়। কিন্তু ম্যাচে জেতা যায় না। কাল ফেডারেশন কাপের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচের ব্যতিক্রম করা সম্ভব হয়নি ব্রাদার্স ইউনিয়নের পক্ষে। তাদের ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পথে এগিয়ে গেল আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ। ভারতীয় কোচ সুব্রত ব্যানার্জীর নতুন দলে অভিষেকটাও হলো ভালো ভাবে। সাথে দলটির নতুন ম্যানেজমেন্টেরও ৪৪ মিনিটে লব থেকে বল পেয়ে একা গোলরক্ষককে পরাস্ক করেন ক্রিস্টোফার চিজোবা। ৯০ মিনিটে জয় নিশ্চিত হয় মুরাদের গোলে। এর আগে ৬৮ মিনিটে নিহাত জামানের শট পোস্টে লাগায় ব্যবধান বড়েনি তখন। বাফুফের সদস্য হওয়ায় কাল ব্রাদার্সের কোচ মহিদুর রহমান মিরাজ এবং ম্যানেজার আমের খান ডাগ আউটে থাকতে পারেননি।





