মরশুমের প্রথম ম্যাচে চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে উঠে আসা দলের ঘরের মাঠে খেলাটা বরাবরই চাপের। লিগের প্রথম ম্যাচেই আর্সেনাল তা টের পেয়েছে। তবে লিভারপুলের তেমন কোনো সমস্যার মুখে পড়তে হলো না। নরউইচকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শুরুটা ভালোই করল জুরগেন ক্লপের দল।

ম্যাচের শুরুর দিকে লড়াইটা ভালোই করছিল ক্যানারিসরা। তবে কিছুটা ভাগ্যের জোরেই ২৬ মিনিটের মাথায় রেডসদের এগিয়ে দেন দিয়োগো জোটা। গোল হওয়ার পরই ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে লিভারপুল। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হলেও দুই দলের কেউই তা কাজে লাগাতে না পারায় প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ গোলেই।

দ্বিতীয়ার্ধে জোটার বদলে মাঠে নামা রবার্তো ফির্মিনো, মহম্মদ সালাহার নিখুঁত পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুন করেন ৬৫ মিনিটে। এরপর ৭৪ মিনিটে কর্ণার থেকে কোনক্রমে বল সালাহের পায়ে চলে আসে। স্বভাবচিতভাবে বাঁ-পায়ের শটে মরশুমের প্রথম গোলটি করেন তিনি। এই গোলের সঙ্গে সঙ্গেই ইতিহাস রচনা করে ফেলেন সালাহ। প্রথম প্রিমিয়র লিগ ফুটবলার হিসাবে পাঁচ মরশুমের প্রথম ম্যাচে গোল করার নজির গড়েন লিভারপুলের ১১ নম্বর জার্সধারী।

একটি গোলের পাশপাশি দুটি অ্যাসিস্টও প্রদান করেন মিশরের তারকা ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বেন গিবসনের শট অসাধারণভাবে বাঁচিয়ে লিভারপুলের ক্লিনশিট বজায় রাখেন অ্যালিসন বেকার। ম্যাচ শেষ হয় ৩-০ ব্যবধানে লিভারপুলের পক্ষেই।

এই ম্যাচেই বহুদিন পরে চোট সারিয়ে পুনরায় প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে খেলতে দেখা যায় ভার্জিল ভ্যান ডাইককে। প্রথম ম্যাচে ফিরেই ক্লিন শিট রাখতে পেরে খুশিই হবেন ডাচ ডিফেন্ডার। লিভারপুলের পরের ম্যাচে বার্নলের মুখোমুখি হবে। নরউইচের পরের প্রতিপক্ষ ম্যাঞ্চেস্টার সিটি।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস