মালদ্বীপ থেকে প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারের নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ১৮০ দিনে মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য ৪৬ হাজারের বেশি সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন। একই সময়ে বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরো জোরদারে ৫৫০টিরও বেশি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন হাইকমিশন।
বৃহস্পতিবার এ উপলক্ষে হাইকমিশনের হলরুমে প্রবাসীদের সাথে একটি সরাসরি সংলাপ ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন হাইকমিশন।
যার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘সেবা, সম্পৃক্ততা, সংলাপ-আপনার কথা, আগামীর পথ!’ অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম, গত ছয় মাস বা ১৮০ দিনের অগ্রগতি, প্রবাসীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে হাইকমিশনের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। একই সাথে তারা প্রবাসীদের অভিজ্ঞতা, মতামত, প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে সরাসরি শোনেন। এ অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তারাসহ উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মালদ্বীপ শাখার সভাপতি মো: খলিলুর রহমান এবং দেশটিতে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীরা।
হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে কনস্যুলার, শ্রম ও কল্যাণ উইংয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট, নথি সত্যায়ন, শ্রমসংক্রান্ত সমস্যা, আউটপাস ও জরুরি সহায়তাসহ বিভিন্ন সেবা দেয়া হয়েছে। একই সময়ে তারা ৪২ জন মৃত প্রবাসী বাংলাদেশীর লাশ দেশে পাঠাতেও সহায়তা করেছেন।
এর পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জলবায়ু, নীল অর্থনীতি ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতেও তারা কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন,বাংলাদেশী প্রবাসীদের কল্যাণ আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রতিটি অভিযোগ ও সমস্যাকে আমরা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করি। সব সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব না হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রবাসী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতু। তাদের অবদান শুধু অর্থনৈতিক নয়, দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া, আস্থা ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।





