যশোরের শার্শায় বাস-নসিমন (ইঞ্জিন চালিত তিন চাকার যান) সংঘর্ষে জাহিদ হোসেন (৪২) ও জিয়ারুল ইসলাম (২৮) নামে দুই আম ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে ৭ জন আম ব্যবসায়ী। নিহত জাহিদ হোসেন ঝিকরগাছা উপজেলার জগনন্দকাটি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে ও জিয়ারুল ইসলাম একই উপজেলার কুমরী গ্রামের নুরালী সরদারের ছেলে। আহতদেরকে যশোর জেনারেল ও শার্শা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের শার্শা উপজেলার নাভারন ত্রিমোহিনী মোড় নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছেন- ঝিকরগাছা উপজেলার কুমরী গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে তাজু হোসেন (২৭), একই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে শাওন হোসেন (২৬), ফারুক হোসেনের ছেলে জাহিদ (২৪), জাকের আলীর ছেলে কামাল গাজী (২৯), জাহান আলী সরদারের ছেলে আয়ুব আলী (২৫), ইসমাইল গাজীর ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক (৩০), ও ইলিশপুর গ্রামের ফজর আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (২৩)।

নাভারন হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া জানান, সকাল সাড়ে ৫টার সময় বাগান থেকে আম সংগ্রহের জন্য নসিমনে করে নাভারণে আসছিলেন ৯ জন আম ব্যবসায়ী। যশোর-বেনাপোল হাইওয়ে সড়কের শার্শা উপজেলার নাভারন ত্রিমোহিনী মোড় নামক স্থানে বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা একটি দুরপাল্লার বাসের সাথে নসিমনের ধাক্কায় নসিমনে থাকা ৯ জন আম ব্যবসায়ী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহিদ হোসেনকে মৃত ঘোষনা করেন। পরে গুরুতর আহত চার জনের অবস্থার অবনতি হলে যশোর ২৫০ শষ্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে জিয়ারুল ইসলাম নামে আরও একজন মারা যায়। ঘাতক বাসটি পালিয়ে গেছে।