জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে নারী সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আবু কালাম (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের আরো ছয়জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার ধরঞ্জী ইউনিয়নের কাঁচনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবু কালাম ঐ গ্রামের কাজেম উদ্দিনের ছেলে।
আহতরা হলেন, কাঁচনা গ্রামের হারুনের স্ত্রী রোকেয়া, মোখলেছের ছেলে সুহেল, নিহত আবু কালামের ছেলে মুরাদ, মৃত তনছেরের ছেলে জোবায়ের, নইমুদ্দিনের ছেলে ফারুক ও ফারুকের ছেলে রবিউল। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জয়পুরহাট সদর ও বগুড়া শজিমেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোনোয়ার হোসেন জানান, পাঁচবিবি উপজেলার কাঁচনা গ্রামের ফারুক হোসেনের বাড়ীতে আসা যাওয়ার সুবাধে এই গ্রামের হারুনের মেয়ের (১৫) সাথে পরিচয় হয় বগুড়া সদরের রনির। ফারুক হোসেন সম্পর্কে তার খালু। এই পরিচয়ের সুবাদে মোবাইল ফোনে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরই এক পর্যায়ে গত চার মাস আগে তারা পরিবারের অমতে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। এদিকে অপ্রাপ্ত মেয়ের এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে হারুন একটি মামলা করেন। সেই মামলায় রনি বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।
এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আজ সকালে ফারুক আর হারুনের মধ্যে বিবাদের সুত্রপাতের এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষের সৃষ্টি হয়। এতে উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন। এদের মধ্যে আবু কালাম গুরুত্বর আহত হলে তাকে বগুড়া শহিদ জিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে পাঁচবিবি থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।