মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তীব্র গরমে এমন লোডশেডিংয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার পথে। রাত-দিন এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গ্রাহকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তবে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, সারা দেশের মতোই রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ শঠিবাড়ীতে লোডশেডিং হচ্ছে।
মিঠাপুকুর উপজেলা সদরে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ কম থাকলেও উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল বালুয়া মাসিমপুর, শুকরের হাট, ছড়ান, কেশবপুর, হুলাশুগঞ্জ, জায়গীর, নানকর, রানীপুকুর, খোড়াগাছ ও ময়েনপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনে-রাতে গড়ে ৫ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। বিশেষ করে অটোরিকশা চালকরা বিপদে পড়েছেন। তারা ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে অটোরিকশার ব্যাটারি ঠিক মতো চার্জ দিতে পারছেন না। ফলে তারা অটোরিকশা চালাতেও পারছেন না। অটোরিকশা চালক লাল মিয়া ও ফজলুল হক বলেন, লোডশেডিংয়ের কারণে আমার উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন অটোরিকশা ঠিক মতো চার্জ দিতে পারি না বলেই রোজগার হচ্ছে না। সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে।
বিদ্যুতের এ ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে ভ্যাপসা গরমে এলাকার হাট-বাজারে বেচাকেনায় বিপর্যয় নেমে এসেছে। এমনকি বাসা বাড়িতে দৈনন্দিন কাজকর্ম করতেও বেগ পেতে হচ্ছে।
একই সাথে ডিগ্রি (পাস) পরিক্ষার্থী সজীব, রবিউল ইসলাম রিয়া ও লিমন ইসলাম জানান, এক দিকে লোডশেডিং অন্য দিকে তীব্র গরমে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে। গ্রাহক আব্দুর রহমানসহ অনেকে বলেন, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ শঠিবাড়ীতে বর্তমান সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার যোগদানের পর থেকে লোডশেডিং বেড়েছে।