বিশেষ সংবাদদাতা
দেশের অর্থনীতিতে মুদ্রা সরবরাহ, বৈদেশিক লেনদেন ও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক কিছু সূচক দেখা গেলেও অভ্যন্তরীণ ঋণপ্রবাহ ও শ্রমবাজারে তৈরি হয়েছে নতুন উদ্বেগ। বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকাল প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, এক বছরে ব্যাপকভাবে বেড়েছে দেশের মোট মুদ্রা সরবরাহ বা ব্রড মানি (এম২)। একই সময়ে সরকারি খাতে ঋণ নেয়ার প্রবণতা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিপরীতে বেসরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার কমেছে।
অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অর্থের পরিমাণ বাড়লেও সেই অর্থের বড় অংশ উৎপাদনশীল বেসরকারি বিনিয়োগে কতটা যাচ্ছে- তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি আগস্টে আমদানি রফতানির তুলনায় দ্রুত বেড়েছে। রেমিট্যান্স শক্তিশালী থাকলেও জুলাই-আগস্টে বিদেশে কর্মসংস্থানে যাওয়া মানুষের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ শতাংশের বেশি কমেছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের বর্তমান শক্ত অবস্থান কতটা টেকসই- সেটিও আলোচনায় এসেছে।
এক বছরে মুদ্রা সরবরাহ বেড়েছে ১১.৭৬ শতাংশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ২০২৬ শেষে ব্রড মানি বা এম২-এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ২২ হাজার ৯৪৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। জুনের তুলনায় এক মাসে এটি বেড়েছে ৬ হাজার ৬৫৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। এর আগের মাসে অর্থাৎ জুনে মাসিক প্রবৃদ্ধি ছিল ১ দশমিক ০৫ শতাংশ।
তবে বড় পরিবর্তনটি দেখা যাচ্ছে বার্ষিক হিসাবে। জুলাই ২০২৫-এর তুলনায় জুলাই ২০২৬-এ এম২ বেড়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা বা ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই বৃদ্ধির পেছনে দু’টি প্রধান উপাদান কাজ করেছে। এক বছরে নেট ডমেস্টিক অ্যাসেট বা নিট অভ্যন্তরীণ সম্পদ বেড়েছে ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং নেট ফরেন অ্যাসেট বা নিট বৈদেশিক সম্পদ বেড়েছে ২২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ মুদ্রা সম্প্রসারণে দেশের অভ্যন্তরীণ ঋণ ও বৈদেশিক সম্পদ- দুই দিকেরই ভূমিকা রয়েছে।
সরকারি ঋণ বাড়ছে, বেসরকারি ঋণে মন্থরতা
অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈপরীত্যটি দেখা যাচ্ছে অভ্যন্তরীণ ঋণে। জুলাই শেষে মোট দেশীয় ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। জুনের তুলনায় এক মাসে তা বেড়েছে ১২ হাজার ৭৪৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ; এবার তা বেড়ে হয়েছে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
কিন্তু মোট ঋণের এই বৃদ্ধির ভেতরে বেসরকারি খাতের চিত্র তুলনামূলকভাবে দুর্বল। জুলাই ২০২৬-এ এক বছরে বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছে ৮০ হাজার ৪৬৭ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। অর্থাৎ বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৯ শতাংশীয় পয়েন্ট।
অন্য দিকে সরকারি খাতে নিট ঋণ এক বছরে বেড়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৯০৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ৩৪ দশমিক ১১ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে এই বৃদ্ধির হার ছিল ১৪ দশমিক ৫১ শতাংশ। অর্থাৎ সরকারি ঋণ বৃদ্ধির গতি দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
এখানেই অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি সামনে আসে- ব্যাংকিং ব্যবস্থার ঋণযোগ্য অর্থ যদি ক্রমবর্ধমানভাবে সরকারের অর্থায়নে ব্যবহৃত হয়, তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য ঋণপ্রবাহ কতটা বাড়ানো সম্ভব হবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য সরাসরি এমন কোনো সিদ্ধান্ত দেয় না যে সরকারি ঋণ বৃদ্ধিই বেসরকারি ঋণ কমার একমাত্র কারণ। তবে একই সময়ে সরকারি ঋণের দ্রুত বৃদ্ধি এবং বেসরকারি ঋণের মন্থরতা অর্থনীতিতে ঋণের বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।
রিজার্ভ মানি কমেছে
মুদ্রা সরবরাহ বাড়লেও রিজার্ভ মানিতে দেখা গেছে উল্টো প্রবণতা। জুলাই ২০২৬-এ রিজার্ভ মানি জুনের ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৩৬৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে কমে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬১ কোটি ৪০ লাখ টাকায় নেমেছে। এক মাসে কমেছে ১২ হাজার ৯০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা বা ২ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এতে অর্থনীতির তারল্য পরিস্থিতির একটি জটিল চিত্র ফুটে ওঠে। একদিকে বিস্তৃত মুদ্রা সরবরাহ বাড়ছে, অন্য দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রাভিত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রিজার্ভ মানি কমছে। ফলে অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহের ধরন ও তার উৎস বিশ্লেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
রফতানি বাড়লেও আমদানি আরো দ্রুত
বৈদেশিক বাণিজ্যে আগস্টে উভয় দিকেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, আগস্ট ২০২৬-এ রফতানি আয় হয়েছে ৪৪১ কোটি ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের আগস্টের তুলনায় ৫৩ কোটি ১১ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।
অন্য দিকে আগস্টে আমদানি হয়েছে ৬১১ কোটি ৩৮ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে আমদানি বেড়েছে ৮৯ কোটি ১১ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ০৬ শতাংশ।
অর্থাৎ আগস্টে আমদানি বৃদ্ধির হার রফতানি বৃদ্ধির হারের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৯ শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। শুধু আগস্টের হিসাবেই রফতানি ও আমদানির ব্যবধান প্রায় ১৬৯ কোটি ৮৩ লাখ ডলার।
আমদানি বাড়ার পেছনে শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনী যন্ত্রপাতি, জ্বালানি ও ভোগ্যপণ্যের চাহিদা- বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কিন্তু এই বৃদ্ধির কাঠামো বিশ্লেষণ না করে শুধু আমদানি বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বা নেতিবাচক- এমন সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক হবে না। বরং উৎপাদন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় আমদানি কতটা এবং ভোগনির্ভর আমদানি কতটা- তা গুরুত্বপূর্ণ।
রিজার্ভে সামান্য চাপ, তবে এক বছরে বড় উন্নতি
আগস্ট শেষে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৪৪২৩ বিলিয়ন ডলার। জুন শেষে এটি ছিল ৩২ দশমিক ৯০৭২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ৪৬৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার বা ১ দশমিক ৪১ শতাংশ। তবে এক বছরের তুলনায় পরিস্থিতি অনেক শক্তিশালী। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আগস্ট শেষে ইচগ৬ রিজার্ভ বেড়েছে ৬ দশমিক ২৬৮৬ বিলিয়ন ডলার বা ২৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। একই সময়ে মোট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ বা গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৩৫২৩ বিলিয়ন ডলার।অতএব, রিজার্ভের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি ওঠানামা থাকলেও এক বছরের তুলনায় বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
রেমিট্যান্সে শক্তি, কিন্তু বিদেশে কর্মসংস্থানে ধাক্কা
আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জুলাইয়ের ২৮৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ডলারের তুলনায় আগস্টে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১০ কোটি ৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। জুলাই-আগস্ট দুই মাস মিলিয়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ৯২ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।
কিন্তু এর পাশাপাশি নতুন একটি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে শ্রমবাজারে। আগস্টে ৬২ হাজার ৯২৯ জন বাংলাদেশী কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন। জুলাইয়ের তুলনায় আগস্টে এই সংখ্যা কমেছে ৮ হাজার ১৫৫ জন বা ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ।আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো, জুলাই-আগস্ট ২০২৬-এ বিদেশে কর্মসংস্থানে যাওয়া মানুষের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৬ হাজার ৯৪৬ জন বা ৩৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ কমেছে।
বর্তমান রেমিট্যান্স বৃদ্ধির সাথে অতীতের বিদেশগামী শ্রমিকদের আয়ের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নতুন কর্মী যাওয়ার প্রবাহ দীর্ঘমেয়াদে কমে গেলে ভবিষ্যৎ রেমিট্যান্সের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে- এটি একটি সম্ভাব্য নীতিগত উদ্বেগ। তবে কেবল দুই মাসের তথ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা যায় না।
ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ডিজিটাল লেনদেন বাড়ছে
আর্থিক লেনদেনের ধরনেও পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে। জুলাইয়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন জুনের তুলনায় ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকায় নেমেছে। তবে এক বছরের তুলনায় তা বেড়েছে ৫৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা গঋঝ লেনদেন জুলাইয়ে বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৫১২ কোটি টাকা। জুনের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
অন্য দিকে এজেন্ট ব্যাংকিং লেনদেন জুলাইয়ে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ কমে ৬০ হাজার ৩৩২ কোটি ৯০ লাখ টাকায় নেমেছে এবং এক বছরের তুলনায় কমেছে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
সুদবাজারে কিছুটা স্বস্তি
আগস্টে কলমানি মার্কেটের ভারিত গড় ঋণ ও ধারদানের হার জুলাইয়ের তুলনায় ৩০ বেসিস পয়েন্ট কমে ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশে নেমেছে। আগের বছরের একই সময়ের ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশের তুলনায় এটি ৬৪ বেসিস পয়েন্ট কম। এটি স্বল্পমেয়াদি অর্থবাজারে কিছুটা তারল্য স্বস্তির ইঙ্গিত দিতে পারে। তবে এর সুফল বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহে কতটা পৌঁছাচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সামনে মূল চ্যালেঞ্জ কোথায়
বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান চিত্র তাই একরৈখিক নয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, রেমিট্যান্স শক্তিশালী, রফতানি বাড়ছে এবং মূল্যস্ফীতিও আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কিন্তু একই সময়ে সরকারি ঋণ দ্রুত বাড়ছে, বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি কমেছে, আমদানি রফতানির চেয়ে দ্রুত বাড়ছে এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রবাহে বড় পতন হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- মুদ্রা সরবরাহ বৃদ্ধির সুফল অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতে কতটা পৌঁছাচ্ছে? সরকারি ঋণের দ্রুত সম্প্রসারণ যদি বেসরকারি বিনিয়োগের জায়গা সঙ্কুচিত করে, তাহলে অর্থ সরবরাহ বাড়লেও উৎপাদন, শিল্প সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থানে প্রত্যাশিত গতি নাও আসতে পারে। আবার আমদানি বৃদ্ধির বড় অংশ যদি উৎপাদন ও মূলধনী বিনিয়োগে যায়, তাহলে তা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির ভিত্তি শক্ত করতে পারে; কিন্তু আমদানি যদি প্রধানত ভোগনির্ভর হয়, তাহলে বৈদেশিক লেনদেনে নতুন চাপ তৈরি হতে পারে। একইভাবে রেমিট্যান্সের বর্তমান শক্তিশালী প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার জন্য স্বস্তিদায়ক হলেও বিদেশে নতুন শ্রমিক যাওয়ার হার কমে যাওয়ার বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের নজরে রাখা প্রয়োজন।
সামগ্রিকভাবে জুলাই-আগস্টের তথ্য বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলতার দিকে এগোলেও অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি আর উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধান রয়ে গেছে। আগামী মাসগুলোতে সেই ব্যবধান কমানোই হবে আর্থিক নীতি, ব্যাংকিং খাত এবং বিনিয়োগ পরিবেশের অন্যতম বড় পরীক্ষা।





