আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি যখন দেখে নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা নেই, তখন তারা একতরফা নির্বাচনের অভিযোগ করে। রোজ কিয়ামত পর্যন্ত তারা এই অভিযোগ করবে।
গতকাল বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নির্বাচন হওয়ার আগেই হেরে যায়। আগেই তারা নির্বাচন সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে। বিরূপ মন্তব্য করা, নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস। এ নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। এটা হাস্যকর হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, তাদের নালিশের কোনো বাস্তবতা ও সত্যতা নেই। দেশে-বিদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে তারা প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করেছিল, তবে তাদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সারা দুনিয়া এ নির্বাচনকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
একতরফা নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ জিতে যাচ্ছেÑ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেন, উনি কি নির্বাচনের নিয়মকানুন, আইন, আচরণবিধি, সংবিধানÑ এসব মানতে চান না! জাতীয় নির্বাচনের পর উপজেলা নির্বাচন তো পাঁচ বছর পরেই হচ্ছে। গতবারের উপজেলা নির্বাচনে প্রথম ধাপে বিএনপির মেজরিটি পার্সেন্ট এগিয়ে ছিল। দ্বিতীয় ধাপেও তারা ব্যালান্সে ছিল। তারা এখন নির্বাচনে অংশ নেবে না, কারণ তারা জানে জাতীয় নির্বাচনে যে ভরাডুবি হয়েছে, তাতে উপজেলা নির্বাচনে আরো শোচনীয় অবস্থা হবে। এই ভয়ে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না।
নারী আসনে এমপিদের মনোনয়ন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নারী আসনের মনোনয়নের ক্ষেত্রে ত্যাগী এবং তৃণমূলকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। আমরা অনেক সময় নিয়েছি। আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনা সংরক্ষিত নারী আসনের বিষয়ে দীর্ঘ দিন দেখে আসছেন। এমনকি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় কয়েকজনের নাম তিনি আমায় লিখে রাখতে বলেছিলেন। অনেক যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। দে আর অল ব্রিলিয়ান্ট, পোলাইট, কমিটেড এবং ডেডিকেটেড। তিনি বলেন, তাদের যে ত্যাগী ভূমিক সেটা আমরা গুরুত্ব দিয়েছি, অগ্রাধিকার দিয়েছি। আমাদের নেত্রীর সক্রিয় মতামতের ভিত্তিতে দলের দীর্ঘ দিনের ত্যাগী কর্মীরা এবং মুক্তিযুদ্ধের পরিবার ছাড়াও সব অঙ্গনের প্রতিনিধি এখানে আছে। তৃণমূলপর্যায়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি।





