ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ দিন-রাত কাজ করছে।
তিনি বলেন, রোদ-বৃষ্টি, গভীর রাত কিংবা বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সময়েও কর্মস্থলে থাকতে হয় ডিএমপির সদস্যদের।
মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ সদস্যদের এই দায়িত্ব পালনের পেছনে তাদের পরিবারের অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানদের সাফল্য তাদের সেই ত্যাগের অন্যতম বড় প্রেরণা।
আজ শনিবার রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশনার।
অনুষ্ঠানে তিনি ডিএমপি সদস্যদের কৃতি সন্তানদের হাতে ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ শিক্ষাবৃত্তির অর্থ তুলে দেন।
মেধাবৃত্তি ও উচ্চশিক্ষা সহায়ক বৃত্তির আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪৯ জন এবং উচ্চশিক্ষা সহায়ক বৃত্তির ১৮৮ জনসহ মোট ৪৩৭ জন কৃতি শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, শিক্ষাবৃত্তি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, অধ্যবসায়, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার স্বীকৃতি। ডিএমপির কৃতি সন্তানদের সাফল্য তাদের পরিবারের পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্যও অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের।
কৃতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে ডিএমপি তাদের মেধা ও পরিশ্রমকে মূল্যায়ন করছে। এই স্বীকৃতিকে ভবিষ্যতের আরো বড় অর্জনের অনুপ্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, নিজেদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেন একদিন তারা অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।
ডিএমপির এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, আজকের কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব তৈরি হবে। তাদের কেউ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে, কেউ নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করবে, কেউ মানুষের সেবায় নিয়োজিত হবে এবং কেউ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার ‘ডিএমপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ অর্জনকারী সব শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান এবং সুন্দর জীবন ও সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং শিক্ষাবৃত্তি অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস








