তেতাল্লিশ.
ন্যাটা মিয়া পকেট থেকে ক্লোরোফর্মের শিশি বের করে রুমালে ঢেলে ওস্তাদের দিকে এগিয়ে দিলো।
খয়ের খাঁ চাপা গলায় রাগীস্বরে বলল, ‘রুমাল আমার দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছিস কেন গাধা। আমি কি মুখ মুছব? ওই ব্যাটার মুখ মুছে দে!’
তখনই হাজী সাহেব নড়ে উঠলেন। জেগে উঠে চেঁচিয়ে বললেন, ‘কে? কে ওখানে?’
খয়ের খাঁ পিস্তল ধরে বলল, ‘খবরদার একটুও নড়াচড়া করবি না।’ তারপর ন্যাটা মিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘হা করে দেখছিস কি? রুমালটা মুখে চেপে ধর।’
হাজী সাহেব উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। পিস্তল দেখে আবার বসে পড়লেন। ন্যাটা মিয়া হাজী সাহেবের মুখে রুমাল চেপে ধরতেই কিছুটা ধস্তাধস্তি হলো। তারপর কাটা কলাগাছের মতো বিছানায় পড়ে গেলেন তিনি।
ধীরে সুস্থে হাজী সাহেবের হাতের মুঠোয় শক্ত করে ধরে রাখা চাবিটা নিলো খয়ের খাঁ। ঘরের আলো জ্বালল। দেখে শুনে সিন্দুক খুলল। টাকার বাক্সটা বের করল। বাকি দুজন তখন ঘরের অন্যান্য বহনযোগ্য জিনিস ব্যাগে ভরতে ব্যস্ত।
খয়ের খাঁ চাপা গলায় ধমক দিলো। ‘ছিঁচকে চোরের স্বভাব যায়নি তাই না? ওসব ব্যাগে ভরছিস কেন? রাস্তায় গিয়ে ধরা পড়ে যাবি তো?
নশুর খালা মরিয়ম হাজী সাহেবের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে। বেশির ভাগ দিনই রাতে বাড়িতে যায়। কিন্তু আজ দিনের বেলায় হাজী সাহেব বলেছিলেন, ‘আজ নশুরে নিয়ে এই বাড়িতে থেকে যা।’
(চলবে)
তেতাল্লিশ.ন্যাটা মিয়া পকেট থেকে ক্লোরোফর্মের শিশি বের করে রুমালে ঢেলে ওস্তাদের দিকে এগিয়ে দিলো। খয়ের খাঁ চাপা গলায় রাগীস্বরে বলল, ‘রুমাল আমার দিকে বাড়িয়ে দিচ্ছিস...
