(তিন)
নাভিদও হাসি টেনে বলল, ‘ওই আমাদের কাজের ধরন। দরকারে জাহান্নামের চৌরাস্তায় যেয়েও দাঁড়াই।’
‘থানার সাথে উপমাটা কি ঠিক হলো? বসুন। কী খাবেন বলুন? গরম গরম পেঁয়াজু-সিঙ্গারা আনতে বলি।’
নাভিদ কিছু না বলেই সম্মতি দিলো। আজ বিকেলের নাশতা করা হয়নি। পেট চোঁ চোঁ করছে। এক কাপ গরম চা অথবা কফি দরকার।
নাভিদ বলল, ‘কাজের কথায় আসি।’
সামিউল থামিয়ে দিয়ে বলল, ‘সবই তো কাজের কথা। অকাজের কথা কোনটা? এই চা নাশতাটাও তো কাজ। সবচেয়ে বড় কাজ। পেটপূজা।’
নাভিদ একটু দমে গিয়ে চুপ করে রইল। নাভিদের চুপসে যাওয়া তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করল সামিউল। গোয়েন্দা ব্যাটাকে কেমন কথার প্যাঁচে কাবু করে ফেলেছে।
সামিউল হেসে বলল, ‘বলুন, কী কাজের কথা বলছিলেন?’
ততক্ষণে গরমগরম পেঁয়াজু-সিঙ্গারা চলে এসেছে। নাভিদ সেদিকে তাকিয়ে হাসি মুখেই বলল, ‘আগে পুজো শেষ হোক।’
(চলবে)
(তিন)নাভিদও হাসি টেনে বলল, ‘ওই আমাদের কাজের ধরন। দরকারে জাহান্নামের চৌরাস্তায় যেয়েও দাঁড়াই।’‘থানার সাথে উপমাটা কি ঠিক হলো? বসুন। কী খাবেন বলুন? গরম গরম পেঁয়াজু-সিঙ্গারা...
