আজ তোমরা জানবে শাহ গোলি সম্পর্কে । এতে রয়েছে একটি সুন্দর প্রাসাদ। একে ঘিরে আছে একটি চতুর্ভুজাকৃতির বিশাল জলকুণ্ড (ওয়াটার পুল)। লিখেছেন লোপাশ্রী আকন্দ

জানো, শাহ গোলি ইরানের একটি বড় জাতীয় উদ্যান? এটি সৌন্দর্য আর অভিনবত্বে অনন্য। বিখ্যাত শহর তাব্রিজ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে তাইকেল নদীর উপত্যকায় সাহান্দ পর্বতের ঢালে এ উদ্যানের অবস্থান। কাজার রাজবংশের আমলে (১৭৮১-১৯২৫) উদ্যানটি গ্রীষ্মাবাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এ সময় তাব্রিজ ছিল ইরানের রাজকুমারের সরকারি বাসভবন।
শাহ গোলিতে রয়েছে একটি সুন্দর প্রাসাদ। একে ঘিরে আছে একটি চতুর্ভুজাকৃতির বিশাল জলকুণ্ড (ওয়াটার পুল)। দ্বিতীয় পাহলভির আমলে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের পর শাহ গোলি নাম পরিবর্তন করে এল গোলি করা হয়। সরকারি নথিপত্রে উদ্যানটি এল গোলি হলেও সাধারণ মানুষের কাছে উদ্যানটি আজও শাহ গোলি নামে পরিচিত।
তিমুরীয় যুগে শাহ গোলি এলাকা ব্যবহৃত হতো শিকার ভূমি হিসেবে। সুন্দর আবহাওয়ার কারণে কাজারীয় যুগে এটি একটি জনপ্রিয় রিসোর্টে পরিণত হয়।
সম্প্রতি এখানে ব্যাপক উন্নয়ন করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে এর আয়তন। ঝরা সেচের (ড্রিপ ইরিগেশন) মাধ্যমে গাছপালা সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
নৈসর্গিক শোভা, বাগান, জলকুণ্ডের মাঝে প্রাসাদ, হাঁটাপথ, কৃত্রিম হ্রদ আর বিভিন্ন সুবিধার কারণে ইরানিদের কাছে শাহ গোলি খুবই আকর্ষণীয়।
ওয়েবসাইট