(গত দিনের পর)
এমন নিকৃষ্ট গুপ্তবিদ্যার চর্চা করেন তিনি!
খেজানা তার হাতের চাবির খোছা পরখ করে দেখতে লাগল। শতটি কুঠুরির, শতটি তালার শতটি চাবি রয়েছে এখানে, তার হাতে। একেক চাবি একেক রকমের। প্রতিটা ঘরের তালাও ভিন্ন ভিন্ন কিছিমের। চাবির সাথে তালার গঠনের মিল খুঁজে পেল খেজানা। সে সব ঘরের দরজা খুলে দেখবে বলে মনস্থির করে।
খেজানা প্রথমে একটি অন্ধকার কুঠুরির দরজার সামনে এসে দাঁড়ায়। দরজায় লটকানো তালার চেহারার সাথে চাবির মিল খুঁজে পায় সে সহজেই। সেই চাবি দিয়ে তালায় একটি মোচড় দিতেই ক্রিং করে খুলে গেল দরজা। ভেতরে ঢুকেই সে অবাক! একটি বড় মাটির মটকায় বসানো রয়েছে কুঠুরির মাঝ বরাবর। সেই মটকায় জ্বলজ্বল করছে তরল সোনা।
এরপর খেজানা আরেকটি কক্ষ খোলে। ভিতরে ঢুকে দেখে সেখানে রাখা আছে গরু-ছাগলের হাড়-হাড্ডি, মাথা ও শিং। পরের কুঠুরি খুলে দেখে সেখানে জড়ো করে রাখা আছে মানুষের হাড় ও মাথার খুলি। মানুষের এত হাড়গোড় ও মাথার খুলি দেখে খেজানার জ্ঞান হারাবার উপক্রম হলো। সে দৌড়ে বাইরে চলে এলো। (চলবে)