গত দিনের পর
ছোট বড় মাঝারি ... নানা ধরনের ইঁদুর। ইঁদুরের বিষ্ঠার গন্ধে ঘরের ভেতরে টেকা দায়। মহা চিন্তায় পড়ে গেলেন চার সওদাগর। এ যে মহা দুর্যোগ নেমে এলো। কী করা যায়? কী করা যায়? গোলটেবিল বৈঠকে বসলেন তারা।
চার সওদাগরের একজন বললেন, এর একটা বিহিত করতেই হবে হে। তা না হলে যে লাটে উঠবে আমাদের ব্যবসা। আরেক সওদাগর বললেন, এক কাজ করলে কেমন হয়? ওষুধ ছিটিয়ে দিই ঘরের মেঝেতে। তৃতীয় সওদাগর বললেন, ওষুধে কাজ হবে না। আজকালকার ইঁদুর বড় পাকনা, বুঝলে? এরা ওষুধ দেয়া খাবার খায় না। চতুর্থ সওদাগর বললেন, এক কাজ করি। গুদাম ঘরে একটি বিড়াল পুষি আমরা। তোমরা তো জান-ই, বিড়ালকে যমের মতো ভয় করে ইঁদুর। বিড়ালের কথা শুনে সবাই একবাক্যে সায় দিলেন। হ্যাঁ, প্রস্তাবটি মন্দ নয়। ইঁদুর মারতে বিড়ালের কোনো জুড়ি নাই। আমরা বিড়ালই পোষব।
অবশেষে হৃষ্টপুষ্ট একটি বিড়াল কেনা হলো। বিড়ালটি সবার পছন্দ। এমন সুন্দর বিড়াল, সাদা কালো গায়ের রং। কেমন তুলতুলে আদুরে শরীর। কী মিষ্টি করে ডাকে, মিঁয়াউ মিঁয়াউ মিঁয়াউ। চার সওদাগর মিলে দুধ ভাত ও মাছ খাইয়ে বিড়ালটিকে বেশ পোষ মানিয়ে ফেলল কয়েক দিনের মধ্যেই।
(চলবে)
