গত দিনের পর
চার সওদাগরের কাছে বিড়ালের আদর গেল আরো বেড়ে। কেউ বিড়ালটিকে কোলে নিয়ে আদর করে, কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। কেউবা গায়ের এলোমেলো পশমগুলো মিলিয়ে দেয়। বিড়ালটি মনে মনে ভাবে, আহ, কী আরামের জীবন! চার সওদাগর বলেন, ভাগ্যিস যথাসময়ে ইঁদুর মারার এমন এক সিপাহি পেয়েছিলাম। মনে হয় ভাগ্যলক্ষ্মী নিজে এসে এমন উপহার দিয়েছে আমাদের। বিড়ালটিকে আরো যতœ নিতে হবে। আরো ভালো ভালো খাবার খাওয়াতে হবে। গুদাম ঘরের জন্য উপযুক্ত সিপাহি বটে।
এক সওদাগর তখন প্রস্তাব করলেন, আমরা চারজন মিলে সম্মিলিতভাবে বিড়ালটির দেখভাল করব। খাবার খাওয়াব, যতœ নেবো। আরেকজন বললেন, বিড়ালের যতœ নেয়ার কাজটি ভাগাভাগি করে নিলে কেমন হয়?
(চলবে)
গত দিনের পরচার সওদাগরের কাছে বিড়ালের আদর গেল আরো বেড়ে। কেউ বিড়ালটিকে কোলে নিয়ে আদর করে, কেউ মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। কেউবা গায়ের এলোমেলো পশমগুলো...
