গত দিনের পর
বিচারের ফল এভাবে মোড় নেবে, এমনটি কেউ ভাবতেও পারেননি। তিন সওদাগর তখন হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দিলেন। তারা তাদের ভুল স্বীকার করে নিলেন এবং কাজির দরবারে করজোড়ে আকুতি মিনতি করতে লাগলেন। ‘হে মহা মহিম, আমাদের ক্ষমা করে দেন।
চতুর্থ সওদাগর মোহন ছিলেন খুবই দয়ালু এবং কোমল মনের মানুষ। তিনি তখন মহামান্য কাজিকে অনুরোধ করলেন, তার অংশীদারদের মাফ করে দেয়ার জন্য। কাজি সাহেব মাফ করে দিলেন এবং বললেন, ‘আপনার কোনো মাল বা স্থানের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব যদি কোনো প্রাণীর ওপর অর্পণ করেন, তখন সেই মালের ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার ওই প্রাণীটির ওপর বর্তায় না।’ ( শেষ )
