তিরাশি.
রিয়াজ দু’দিকে মাথা নেড়ে বলল, ‘উহু তা নয়। আমি নিজ ইচ্ছায় এখানে এসেছি। আমার মাকে খুঁজতে।’
‘তোমার মা এই জঙ্গলে থাকে নাকি?’
‘কোথায় থাকে তা আমি জানি না। তবে আমি সব জায়গায় খুঁজে দেখতে চাই। শুনেছি কফর নাগমের খারাপ জিনপরীরা একজন মানুষকে বন্দী করে রেখেছে। সেই মানুষটা কে তা নজীবীন রাজ্যেও কেউ জানে না। সেই মানুষটিই হয়তো আমার মা। তাইতো আমি কফর নাগমের উদ্দেশে চলেছি আমার মাকে খুঁজতে। তুমি কি জান কফর নাগমে বন্দী মানুষটি কে?’
‘না বাছা আমিও জানি না। তবে আমিও শুনেছি ওখানে কেউ একজন দীর্ঘদিন ধরে বন্দী আছে। সে মানুষটা তোমার মা হতে পারে। কিন্তু তুমি এত ছোট মানুষ ওখান থেকে তোমার মাকে পেলেও উদ্ধার করে আনতে পারবে?’
‘পারি আর না পারি চেষ্টা তো করে দেখব। আর মাকে খুঁজতে বয়স কোনো ব্যাপার না, ভালোবাসাটাই বড়। আর সে ভালোবাসা তো তুমি আমাকে বাড়িয়ে দিয়েছ। সাথে সাহসও। সেই সাহসেই ভর করে আমি কফর নাগমে যাচ্ছি।’
‘কিন্তু তুমি তো ভুল পথে চলেছ। এদিক গেলে জীবনেও কফর নাগমে পৌঁছতে পারবে না। কফর নাগম তো এদিকে নয়।’
‘তাহলে? আমি কি পথ হারিয়ে ফেলেছি? এখন কি হবে?’ (চলবে)
