সাত.
তাই দেখে মজিদ গাজী সিদ্ধান্ত দেয়ার মতো করে বলল, ‘বাড়িতে গরুর দুধ থাকলে তাই পলতে করে ওই বাচ্চাটার মুখে দাও। চুষতে না পারলেও পেটে যাবে।’
তারপর মজিদ গাজী তার ফেরিওয়ালার থালি হাতের তালুর উপরে তুলে নিয়ে বেরিয়ে গেল।
মা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আমার সাথে গোসল করিস। এখন ভিজে গেঞ্জি খুলে ফেল।’ তারপর কাজের মহিলার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘মিনু, গরুর দুধ একটু গরম করে সেলিনার হাতে দাও। ওই খাওয়াক। আর তুমি দেখ, সরিষার তেল আছে কি না। তাই দিয়ে রান্না চড়িয়ে দাও। রাতে আবার সয়াবিন তেল আনতে হবে।’
আপু আমাকে ইশারা করে ডাকল। আমি কাছে যেতেই ছটফটে দুই নম্বর ছাগলের বাচ্চাটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ‘এটারে ধরে বসে থাক। আমি দেখি ওটা খায় কি না।’
ছাগলের বাচ্চাটা আমার হাতের মধ্যে অস্থির হয়ে গেছে। কেমন যেন ক্লান্ত লাগছে। আমি ধরে রাখতে পারলাম না। ছেড়ে দিলাম। ছেড়ে দিতেই ছাগলের বাচ্চাটা আপুর হাতের ফাঁক দিয়ে গিয়ে মায়ের বুকে দুধ খেতে লাগল। তাই দেখে আপু বিরক্ত হয়ে বলল, ‘তুই কোনো কাজের না। একটা ছাগলের বাচ্চাও ধরে রাখতে পারিস না। নে, এইটাকে ধর।’ বলে আপু তিন নম্বর অসুস্থ বাচ্চাটাকে আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে উঠে গেল। মনে হয় ঘরের মধ্য থেকে গরুর দুধ গরম করে আনতে। উঠানের বরইগাছের ছায়া থেকে মিনু খালাও উঠে ঘরের মধ্যে গেছে। রান্না করতে। প্রসূতি মা ছাগল পেট এলিয়ে গাছের গোড়ায় শুয়ে আছে। দুটো দুরন্ত বাচ্চা প্রবল বিক্রমে মায়ের দুধ চুষে চলেছে। (চলবে)
সাত.তাই দেখে মজিদ গাজী সিদ্ধান্ত দেয়ার মতো করে বলল, ‘বাড়িতে গরুর দুধ থাকলে তাই পলতে করে ওই বাচ্চাটার মুখে দাও। চুষতে না পারলেও পেটে যাবে।’তারপর...
