(গত দিনের পর)
বলা বাহুল্য গাছের কোঠরে প্রিন্স ও প্রিন্সেসও আটকা পড়ে যায়। ওক বৃক্ষের চারা দুটিকে দুই হাতে তুলে নিয়ে ডাইনি হারিয়া এবার গহিন বনের ভিতর দিয়ে হাঁটতে থাকে সাগর পাড়ের দিকে। ডাইনি যখন প্রিন্স রিঙের সাম্পানের কাছে আসে, প্রিন্স রিঙ ও মাঝি-মাল্লারা তখন ঘুমিয়ে ছিল।
এই সুযোগে চুপি চুপি বৃক্ষ দু’টিকে নিয়ে ডাইনি উঠে যায় সপ্তডিঙ্গা নায়ে। তারপর পুনরায় সে প্রিন্সেস সিগনির মতো অপরূপা সুন্দরীর রূপ ধারণ করে নেয়। এবার সে প্রিন্স রিঙের কাছে গিয়ে বলে, ‘ওগো প্রিন্স রিঙ, কত আর ঘুমাবে? এখন চোখ মেলো। দেখো তোমার সিগনি ফিরে এসেছে। এবার চলো সাগর পাড়ি দিয়ে চলে যাই তোমার দেশে।’
নকল সিগনির ডাক শুনে ঘুম ভাঙে প্রিন্স রিঙের। সে চোখ মেলে তাকায়। দেখে অপরূপ সুন্দরী সিগনি তার পাশেই বসে আছে। মনে মনে বড়ই কৃতার্থ হয় সে। মুখে বলে, ‘আমি বড়ই কৃতজ্ঞ হে রাজকুমারী সিগনি। আমি জানি তুমি ফিরে আসবে। এবার চলো যাত্রা করি আমাদের নিজ দেশে?’
নকল সিগনি বলে, ‘হ্যাঁ রাজকুমার, তোমার দেশে যাবো আমি। ওই যে দেখতে পাচ্ছো আমার প্রিয় দু’টি ওক বৃক্ষের চারা। তোমার দেশে গিয়ে ওই চারা দুটিকে পুঁতে দেবো বাগানে।
(চলবে)
(গত দিনের পর)বলা বাহুল্য গাছের কোঠরে প্রিন্স ও প্রিন্সেসও আটকা পড়ে যায়। ওক বৃক্ষের চারা দুটিকে দুই হাতে তুলে নিয়ে ডাইনি হারিয়া এবার গহিন বনের...
