শাহ মসজিদ (মসজিদ-ই-শাহ) ইরানের ইসলামিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ইস্পাহানের নাঘ্শ্-ই-জাঁহা স্কয়ারে মসজিদটির অবস্থান। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের পর এর নতুন নামকরণ করা হয় ইমাম মসজিদ।
শাহ মসজিদ সাফাভীয় আমলের (১৫০১-১৭২২) ইসলামিক স্থাপত্যের চমৎকার উদাহরণ। এটি পারসিক (ইরানি) স্থাপত্যের মহৎ শিল্পকর্ম হিসেবে বিবেচিত। শুধু ইরানে নয়, সারা বিশ্বেও এটি একটি সুন্দর স্থাপনা হিসেবে গণ্য।
নাঘ্শ্-ই-জাঁহা স্কয়ারসহ মসজিদটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থানের তালিকাভুক্ত।
সাতরঙের মোজাইক টালির ব্যবহার এবং হস্তলিপি মসজিদটিকে বিশেষভাবে করেছে সৌন্দর্যম-িত।
শাহ মসজিদের মূল ফটক (গেট) ২৭ মিটার উচ্চ, যাতে রয়েছে ৪২ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট দু’টি মিনার। মসজিদের চারদিকে রয়েছে চারটি আইবান (তিনদিকে দেয়ালঘেরা হল বা স্থান) এবং আর্কেড (ধনুকাকৃতি ছাদ বা খিলানে ঢাকা পথ)। দেয়ালগুলো সজ্জিত করা হয়েছে সাতরঙা মোজাইক টালিতে। সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ইবানটির উচ্চতা ৩৩ মিটার। এই ইবানের পেছনে রয়েছে একটি জায়গা যার ছাদ দেয়া হয়েছে সবচেয়ে বড় গম্বুজের সাহায্যে। এটি ইস্পাহানের সবচেয়ে উঁচু গম্বুজ, উচ্চতা ৫২ মিটার। গম্বুজটি দুই স্তর বিশিষ্ট।
গম্বুজের মধ্যস্থলের নিচে শ্রুতিগুণ ও প্রতিফলন দর্শকদের আকর্ষণ করে। মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্বে দু’টি সেমিনারি (ধর্মীয় বিদ্যালয়) রয়েছে।
১৬১১ সালে শাহ মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। কত বছরে মসজিদটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছিল তা জানা যায়নি।
শাহ মসজিদ (মসজিদ-ই-শাহ) ইরানের ইসলামিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। ইস্পাহানের নাঘ্শ্-ই-জাঁহা স্কয়ারে মসজিদটির অবস্থান। ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবের পর এর নতুন নামকরণ করা হয়...
