(গত দিনের পর)
সওদাগর পুত্র ইন্দ্রাশার দেয়া শ্রীআংটি ও পানপাত্র নিয়ে ফিরে আসে ঝর্ণার তলদেশ থেকে উপরের দুনিয়ায়। পাতালপুরী থেকে কিভাবে উপরের দুনিয়ায় ফিরে আসতে হবে, সেই কৌশলটিও শিখিয়ে দিয়েছে নাগপুত্র। ঝর্ণার জল থেকে উপরে এসে সওদাগরপুত্র দেখে, তার রেখে যাওয়া প্রিয় কুকুর ছানা ও বিড়াল ছানা সেখানেই খেলা করছে, আর অপেক্ষা করছে তাদের মনিবের জন্য।
আবার একত্রিত হলো তারা। কুকুরছানা ও বিড়ালছানাকে নিয়ে আবার হাঁটতে থাকে সওদাগরপুত্র। ঝর্ণার পাড় বরাবর হাঁটছে তারা। হেঁটে হেঁটে বেশ খানিকটা পথ পার হয় সওদাগরপুত্র। সামনে বিশাল সমতল বিরানভূমি। পাশ দিয়ে বয়ে চলছে একটি নদী। নদীর পাড়ে শস্যক্ষেত ও কাঁশবন। পাহাড়ঘেরা এই জায়গাটি যেন স্বর্গের এক টুকরো উদ্যান। সওদাগরপুত্রের বেশ পছন্দ হয়ে যায় জায়গাটি। পাহাড়ের পাদদেশে উঁচু উঁচু আকাশছোঁয়া বৃক্ষ। বসবাসের জন্য পরিপাটি ও সুন্দর জায়গাই বটে। সেখানে একটি উঁচু বৃক্ষের নিচে গিয়ে বসে সওদাগরপুত্র।
(চলবে)
