চুয়ান্ন.
শেষমেশ আব্বাও সিদ্ধান্ত নিলেন, দাগটা জিনসাধককে দেখাতে হবে। উনিই ভালো বলতে পারবেন। এটা কোনো ডাক্তারের কম্মো নয়। তার পরও একটা মলম লাগানোর জন্য দিলেন।
দ্বিতীয়বার আক্রমণের পরেই জিনসাধক নড়েচড়ে বসল। তার দেয়া তাগাতাবিজ মাদুলিতে যে কাজ হয়নি তা তিনি ভালোই বুঝতে পেরেছেন। বুঝতে পেরেছেন বলেই নিজের ভাব গাম্ভীর্য বজায় রাখার জন্য গম্ভীর হয়ে আছেন। আব্বা একটু উঞ্চ স্বরেই বললেন, ‘ছেলেটা ভয়ে কাবু হয়ে এতটুকু হয়ে গেছে। দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। একটা কিছু করেন।’
মা ভেতরের ঘর থেকে বলল, ‘ফুঁ ফা না করে জিন থাকলে জিন তাড়ান। ভূতে ধরলে ভূত ভাগান। ওকে ভালো করেন।’
জিনসাধক গম্ভীর স্বরে বললেন, ‘কী সমস্যা, কী আসল রহস্য সেটা আগে বের করি।’ এরপর হ্যারিকেন আলো উস্কে দিয়ে জিনসাধক বারান্দাতেই তার ছক সাজালেন। মা আমাকে নিয়ে এসে জিনসাধকের মুখোমুখি একটা পিঁড়িতে বসিয়ে দিলো। আমি আসন মোড়া হয়ে বসলাম। আমার চিকিৎসা-তদবির চলল। সমস্যাও দূর হলো।
(শেষ)
