তিন.
কারণ সবাই জানত এক্সম্যান খুব দুর্লভ একটা ব্যাপার নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সেই ফর্মুলায় হয়তো নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কথা। সেই ফর্মুলা হাতাতেই তাকে খুন করে গুম করা হয়েছে।
অন্ধকার ক্লাস রুমে ঢুকে সজীবের গা ছমছম করে উঠল। সে বেরুনোর দরজায় ধাক্কা দিয়ে বুঝতে পারল বাইরের থেকে বন্ধ। অনেক ধাক্কাধাক্কি ডাকাডাকি করল কেউ দরজা খুলল না। ভয়ে সিটিয়ে দরজার কাছেই বসে রইল সজীব। ধীরে ধীরে অন্ধকার চোখ সয়ে আসতে লাগল। নানা রকম যন্ত্রপাতি, টেস্টটিউব, মাইক্রোস্কোপ দেখে বুঝতে পারল একসময় বিজ্ঞান ল্যাব ছিল। আস্তে আস্তে সজীবের ভয় কেটে যেতে লাগল। সে ঘুরে ঘুরে সব দেখতে থাকল। বাইরের থেকে প্রথমে আছরের তারপর মাগরিবের আজান শুনল। হাতের রেডিয়াম ঘড়ি দেখে বুঝতে পারল রাত নেমে গেছে। খিদেয় পেট চোঁ চোঁ করছে। আজ টিফিন করা হয়নি। ব্যাগটাও ডেস্কে রয়ে গেছে। একটু পানির জন্য বুক ফেটে যাচ্ছে। অনেকগুলো জার ভর্তি তরল। কিন্তু ওগুলো হয়তো কেমিক্যালই হবে। পানযোগ্য নয়। একটা বুনসেন বার্নার দেখতে পেল। ওপাশে একটা স্টোভ। পাশে একটা গ্যাস লাইট পড়ে আছে। সজীব আলো জ্বালল। নীলচে আলোয় ভরে গেল ল্যাবরেটরি। পায়ের কাছে একটা পাত্র দেখে ওয়াটার পটই মনে হলো। প্রথমে হাতে একটু ঢালল। পানির মতোই তরল। জিবে ঠেকাল। পানির মতো স্বাদ। বা স্বাদবিহীন ডিস্টিল ওয়াটার। তাই খানিকটা ঢকঢক করে খেয়ে পরান জুড়াল। একটু ধাতস্ত হলো।
(চলবে)
তিন.কারণ সবাই জানত এক্সম্যান খুব দুর্লভ একটা ব্যাপার নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সেই ফর্মুলায় হয়তো নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কথা। সেই ফর্মুলা হাতাতেই তাকে খুন করে গুম...
