নয়.
‘গবেষণা করতে পারছি না কারণ গবেষণার জন্য বিশেষত আমার আগের অবস্থায় ফিরে আসার জন্য যা কিছু দরকার তা আনতে পারছি না। বাইরে বেরিয়ে দোকানে যেতে পারছি না।’ এক্সম্যানের চোখ চকচক করে উঠল, ‘তুমি আমাকে সাহায্য করবে? আমাকে বাইরে বের হতে সাহায্য করবে?’
স্কুলে ঢুকতেই বুকটা ছ্যাৎ করে উঠল সজীবের। কোন কারণ নেই। কিন্তু এরকম হয় না, মাঝে মাঝে কারণ ছাড়াই মনের ভেতরে আজব খেলা খেলে। মন বড় আজব চিজ!
এই স্কুলটা নতুন স্কুল। নতুন স্কুল দেখে বুক ছ্যাৎ করে ওঠার কিছু নেই। ওঠেনি। পাশের পুরাতন স্কুলভবন দেখেই গাটা ছমছম করে উঠেছে। পুরোনো স্কুলের লাগোয়াই নতুন স্কুল ভবন তৈরি হচ্ছে। শোনা যায়, পুরানো স্কুলটা নাকি ভেঙে ফেলা হবে। এই নিয়ে দ্বন্দ্বও আছে। একদল ভেঙে ফেলে জায়গা বের করার পক্ষে। আরেক দল চায়, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি টিকে থাকুক।
রাফিকে দেখা গেল নতুন স্কুলের সামনে। কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে। রাফি হা করে মশলা মাখানো দেখছে। সজীব রাফির কাছে এগিয়ে গেল। পাশে দাঁড়িয়ে মিনমিনে স্বরে বলল, ‘কখন এসেছ?’
রাফি ইট বালি সিমেন্টের মশলা মেশানো থেকে চোখ সরাল না। কোনো উত্তরও দিলো না। শুনতে পায়নি নাকি? (চলবে)
