এগারো.
এই স্কুলে সজীব নতুন এসেছে। এখনো সপ্তাহ খানিক হয়নি। তার তেমন বন্ধু গড়ে ওঠেনি। যাদের সাথে ঘাড়ে হাত দিয়ে তুইতোকারি করা যায়।
‘অ্যাসেম্বলিতে যাবে না?’ সজীব আবার জিজ্ঞেস করল। রাফি জিসান আর নিলয়ের সাথে তার একটু খাতির হয়েছে। তাও ততটা ঘনিষ্ট না।
‘হু।’ রাফির চোখ এখনো মিক্সচার মেশিনের দিকে। সাত সকালেই শ্রমিকেরা কাজ শুরু করে দিয়েছে। নতুন স্কুলের কাজ এগুচ্ছে তরতর করে। কয়েকটা ক্লাস রুম রেডি হয়ে গেছে। তাতে সিনিয়র ছাত্ররা ক্লাস করে।
সজীব ইতস্তত করে। বন্ধুর কাছে মানুষ অতটা ইতস্তত করে না। কিন্তু রাফি এখনো তার বন্ধু হয়ে ওঠেনি। ‘পুরানো স্কুলটা দেখে না বুকের মধ্যে কেমন জানি ছ্যাৎ করে উঠল।’
রাফি চমকে তাকাল সজীবের দিকে। পুরানো স্কুলের ব্যাপারে অনেক গোপন কথা আছে। নতুন আসা এই বোকা টাইপের ছেলেটা জানে না। ও বলে ভয় ধরানোর কোনো মানে হয় না।
‘পুরানো স্কুলের কথা তুই কিছু শুনিসনি?’ রাফি অবলীলায় তাকে তুই করে বলে।
‘না।’ সজীব দুদিকে মাথা নাড়ায়।
‘না শুনে থাকলে থাক। শুনে কাজ নেই।’ মশলা থেকে রাফির মনোযোগ উঠে গেছে। অ্যাসেম্বলিতে দাঁড়ানোর জন্য এগুতে থাকে।
‘পুরানো স্কুলের কি ঘটনা বলো না?’ সজীব আবদার জোড়ে। (চলবে)
এগারো.এই স্কুলে সজীব নতুন এসেছে। এখনো সপ্তাহ খানিক হয়নি। তার তেমন বন্ধু গড়ে ওঠেনি। যাদের সাথে ঘাড়ে হাত দিয়ে তুইতোকারি করা যায়।‘অ্যাসেম্বলিতে যাবে না?’ সজীব...
