বিরাশি.

‘হুঁ বুঝতে পেরেছি।’ নেতা গম্ভীরস্বরে বললেন, ‘তা এখন কি করা যায়?’
‘সেটা নিয়ে আলোচনা করার জন্যই স্যার আপনাদের ডেকেছি।’ বিজ্ঞান স্যার নিচু স্বরে বললেন, ‘এক্সম্যান স্যার ফিরে এলে আমার জারিজুরি খতম। চাকরি তো যাবেই। জেল খাটতে হতে পারে।’
সবাই ব্যাপারটা বুঝতে পারল। অবৈধভাবে রাজনৈতিক প্রভাবে বিজ্ঞান স্যারের এই চাকরিতে যোগদান।
প্রিন্সিপাল বললেন, ‘আপনার কথামতো যদি এক্সম্যান স্যার ওই ক্লাসরুমে আত্মগোপন করে থাকে তো আমাদের সুবিধে। কালকে এক্সম্যান স্যার শুদ্ধ ক্লাসরুম গুঁড়িয়ে দেয়া হবে। তার মধ্যে দলিলও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।’
‘আপনি যতটা সহজ ভাবছেন ততটা সহজ কিছু হবে না। স্কুলের ছাত্রদের ব্যবহার করে কেমিক্যালে আনার নিশ্চয় কোনো উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য সাধিত হলে কী হবে জানি না। আর এক্সম্যান স্যার যদি আমাদের লুকানো দলিল পেয়ে যায়, তাহলে? স্কুল ভাঙার সময় কী তিনি বেরিয়ে আসবেন না?’
সবাই প্রশ্নগুলো অনুধাবন করতে পারল।
প্রিন্সিপাল বললেন, ‘আপনি ওদের পেছনে যে টিকটিকি লাগিয়েছেন তার খবর কি?’
বিজ্ঞান স্যার দুদিকে মাথা নাড়লেন, ‘খবর সুবিধের না। ওরা কেমিক্যালে নিয়ে যার যার বাসায় গেছে।’
‘বাসাতেই নজরদারি করেন। নিশ্চয় কেমিক্যাল নিয়ে এক্সম্যানের সাথে দেখা করবে। (চলবে)