পঁচাশি.
রাফি আর নিলয়ের বাসা থেকে খুব একটা আপত্তি করল না। ওরা এশার আজানের সাথে সাথে পথে নেমে পড়ল। সজীবের ব্যাগে সবরকম কেমিক্যাল নেয়া হয়েছে। রাফি আর নিলয় মিলে টর্চলাইট, মোটা নাইলনের দড়ি, ছুরি, দেয়াশলাই, মোমবাতি এগুলো জোগাড় করেছে। সজীব অবশ্য এক ফাঁকে নিলয়ের হাতে তার ক্রিকেটের বল ব্যাট স্টাম্পের ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়েছে। কখন কোনটা কাজে লাগে কে জানে!
পথের মোড়ে এসে তিনজনই চমকে গেল। রিমি দাঁড়িয়ে আছে। সাথে ওর খালাত বোন তমা।
রিমি ভাব ধরে বলল, ‘কেমন বলেছিলাম না, যেভাবেই হোক আমি চলে আসব!’
নিলয় অবাক হয়ে বলল, ‘কিভাবে?’
রিমি খালাত বোন তমাকে দেখিয়ে বলল, ‘এই যে এভাবে! খালাকে বলেছি, তমা আমাদের বাসায় থাকবে। তমা মাকে বলেছে আমি ওদের বাসায় থাকব, ব্যস!’
কিন্তু একজন যদি আরেকজনকে ফোন করে তখন?
‘অ্যাডভেঞ্চার করতে গেলে ওটুকু রিস্ক তো নিতেই হবে!’
‘তাহলে তমাও আমাদের সাথে যাচ্ছে তাই না?’
‘হু। ওকে তো অন্য কোথায় রেখে যেতে পারি না। আর আমাদের স্কুলের না হলেও ওকে আমি যতটুকু জানি বুঝিয়ে বলেছি!’ রিমি এক নিঃশ্বাসে বলল। ‘আর জনবল বেশি হলে আমাদেরই সুবিধে কি বলিস!’
ওরা যখন আবছা অন্ধকারে তখন একজন মুখোশধারী মানুষ ওদের গা ঘেঁষে দাঁড়াল। (চলবে)
পঁচাশি.রাফি আর নিলয়ের বাসা থেকে খুব একটা আপত্তি করল না। ওরা এশার আজানের সাথে সাথে পথে নেমে পড়ল। সজীবের ব্যাগে সবরকম কেমিক্যাল নেয়া হয়েছে। রাফি...
