(গত দিনের পর)
কিন্তু শালিক পাখিটি কোনো কথা বলে না। আগের রাগ তার এখনো রয়ে গেছে। ব্যাঙের কথার কোনো জবাব না দিয়ে ফুড়–ৎ করে উড়ে গেল সে। পরের দিনও শালিক পাখিটি কুয়োর কিনারে এলো। নাচল, গাইল লেজ নাড়ল। তারপর ফুড়–ৎ করে উড়ে চলে গেল। একটি কথাও বলল না সে ব্যাঙের সাথে।
একই ঘটনা ঘটল পরের দিনও। তার পরের দিন, তার পরের দিন. . .। সপ্তম দিনে, খয়েরি রঙের শালিক পাখিটি বলে, ওহে ছোট্ট পুঁচকে ব্যাঙ, আমার কথা বুঝলে না তুমি হে। যদি বুঝতে, তা হলে তুমিই আমাকে অনুরোধ করতে। বলতে, আমারে উপরে নিয়ে যাও না ভাই। এই বদ্ধ পাতকুয়োয় থাকতে আর ভালো লাগে না।
কিন্তু পাতকুয়োর ব্যাঙ কোনো কথাই বলে না আজ। আজ তার মন ভালো নেই। আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়েনি অনেক দিন হলো। বৃষ্টির ফোঁটায় ব্যাঙের মন ভালো হয়ে যায়। আজ বৃষ্টি নেই, তার মনও ভালো নেই। তাই শালিক পাখির কথায় সাড়া দিচ্ছে না সে। (চলবে)