বলছি আহসান মঞ্জিলের কথা। জানো, এ সুদৃশ্য ইমরাত একসময় ছিল নবাববাড়ি। আজকাল এটি একটি জাদুঘর। আমাদের রাজধানী ঢাকার সদরঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এর অবস্থান।
আহসান মঞ্জিলের দক্ষিণে প্রবাহিত নদী, উত্তর দিকে প্রধান ফটক ও নহবতখানা। দোতলার পুব দিকে অতিথিখানা, গ্রন্থাগার ও বৈঠকখানা। পশ্চিম দিকে রয়েছে নাচঘর, নবাবদের শোবার ঘর ও খাবার ঘর। লালগালিচা, গোল মার্বেল পাথরের টেবিল, বিভিন্ন রঙের কাঁচের দরজা, সর্বোপরি পারিপার্শ্বিক গঠন আহসান মঞ্জিলকে করেছে যেন রূপের রানী।
১৮৩৫ সালে খাজা আলিমউল্লাহ ফরাসি কুঠিয়ালদের কাছ থেকে এ বাড়ি ক্রয় করেন। জানা যায়, বাড়িটি তৈরি করেছিলেন ফরিদপুরের জমিদার শেখ এনায়েত উল্লাহ। পরে তার ছেলে শেখ মুতিউল্লাহর কাছ থেকে এ বাড়ি ক্রয় করে ফরাসিরা। আর ফরাসিদের কাছ থেকে কিনে নেন খাজা আলিমউল্লাহ। তিনি এ বাড়ির ব্যাপক সংস্কার করেন। ১৮৭২ সালে এ পরিবারের সদস্য নবাব আবদুল গণি এ বাড়ি পুনর্নির্মাণ করেন, যা এখনো টিকে আছে।
বলছি আহসান মঞ্জিলের কথা। জানো, এ সুদৃশ্য ইমরাত একসময় ছিল নবাববাড়ি। আজকাল এটি একটি জাদুঘর। আমাদের রাজধানী ঢাকার সদরঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এর অবস্থান।আহসান...
