(গত দিনের পর)
এবার ব্যাঙটিকে ছেড়ে দিয়ে বলে, নে, এবার চোখ খোল, হে পুঁচকে ব্যাঙ।
এতক্ষণে ব্যাঙ খুব ভয়ে ভয়ে ছিল। না জানি তাকে খেয়েই ফেলে কিনা। ব্যাঙ চোখ খোলে। অবাক বিস্ময়ে থ’ মেরে যায় সে। একি! এত আলো, এত বৃক্ষ, লাতাপাতা, এত পানি! চারিদিক এত খোলা। কোথাও কোনো দেয়াল নেই। যেদিকে চোখ যায়, শুধু ফাঁকা, অনন্ত, বিশাল। নিকটেই বড় এক জলাধার, গাছপালা আর সবুজ প্রান্তর। কত্তবড় জগতরে বাবা! সে শালিককে জিজ্ঞেস করে, কোথায় নিয়ে এলে আমায়? এ যে বিশাল এক দুনিয়া?
শালিক বলে, এটা বাইরের জগৎ।
এমন জগৎ দেখে ব্যাঙ যেন ভাষা হারিয়ে ফেলে। সে ঘ্যাঁ ঘুঁ করে বিড় বিড় করে। এত বড়, এত বিশাল। সামনে এক বিশাল জলাধার। সে শালিককে জিজ্ঞেস করে, ওইটা কী?
শালিক : জলাধার, পৃথিবীর ছোট্ট এক জলাধার মাত্র। তুমি এখানেই সারা জীবন কাটিয়ে দিতে পারবে, তবুও এই ছোট্ট জলাধার দেখে শেষ করতে পারবে না।
(চলবে)
